কুড়িগ্রাম প্রথম আলো চরে ত্রান. সবজী বীজ, গাছের চারা বিতরন

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি
কুড়িগ্রামে বন্যা পরবর্তি প্রথম আলো চরে সাড়ে ৩ শত পরিবারের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী. সবজী বীজ, গাছের চারা বিতরন ও প্রথম আলো চর আলোর পাঠশালায় ফলোজ বৃক্ষ রোপন করা হয়। গতকাল বুধবার দুপুর ১২ টায় আবাসনে এসব বিতরন অনুষ্ঠানে
উপস্থিত প্রধান অতিথি ছিলেন ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা মো. ময়নুল ইসলাম।এছাড়া  কুড়িগ্রাম প্রথম আলো প্রতিনিধি কুড়িগ্রাম সফি খান, সদর উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা খন্দকার সিজানুর রহমান, ঘোগাদহ ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য দুলাল মিয়া, প্রথম আলো চর আলোর পাঠাশালার প্রধান শিক্ষক আতাউর রহমান, স্থানীয় সাইফুদ্দিন মিয়া, লায়লা বেগম ও প্রথম আলো প্রতিনিধি কুড়িগ্রাম সফি খান।
খাদ্য সহায়তার মধ্যে ছিল চাল ১০ কেজি, তেল এক কেজি, লবন এক কেজি, ডাল এক কেজি, চিড়া ২ কেজি। বীজের মধ্যে ছিল লাউ, কুমড়া ও সীম। গাছের চার মধ্যে ছিল আম, কাঠাল, লিচু, জাম, জামরুল, পেয়ারা ও হরতকি। এরপর তিনি প্রথম আলোর চর পাঠশালায় ১০টি ফলোজ বৃক্ষ রোপন করেন।
সহায়তা পেয়ে কবিতা বেগম বলেন পানি নামি গেইছে। জমি গুইলা পরি আছে। সবজী আবাদ করবার পাম। হামরা তো বীজ পাইনা। এ বিজ চারা গুইলা কামত নাগবে। বৃদ্ধ হাসেন আলী বলেন বন্যার পর চরের মানুষ বসি আছে। জমি গুইলা পড়ি আছে। খাদ্য ও বীজ চারা খুব কামত নাগবে।
উল্লেখ্য যে এর আগে গত সোমবার কৃষিবীদ সাহিন আহাম্মেদ মরিচ, বেগুন, ঢেরস, টমেটো, বটবটি,সিম, চাল কুমড়ার উন্নত জাতের বীজ চরের সাড়ে ৩ শত পরিবারের মধ্যে বিতরন করেন।
উল্লেখ্য যে ২০০৫ সালে এলাকার লোকজন ভালবেসে চরের নাম দেন প্রথম আলো চর। এটি কুড়িগ্রাম সদর উপজেলারএঘাগাদহ ইউনিয়নের দুধকুমার নদের পূর্ব পাড়ে অবস্থিত। প্রথম আলো ট্রাষ্ট এর পক্ষ থেকে এখানে একটি স্কুল পরিচালিত হচ্ছে।  নাম আলোর পাঠশাল।
বিতরনের আগে উপজেলা ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা মোঃ. ময়নুল ইসলাম বলেন বন্যা পরবর্তি চরের মানুষের অবস্থার কথা ভেবে জেলা প্রশাসকের নির্দেশে খাদ্য সহায়তা করা হয়। এছাড়া চরবাসী যেন সাবলম্বি হতে পারে সে কারনে সবজী বীজ ও বিভিন্ন জাতের ফলজ চারা দেয়া হলো। দুর্গম এ চরে প্রথম আলো ট্রাষ্ট্রে স্কুলটি চরবাসীকে আলোকিত করছে।
 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *