লালমনিরহাটের মহেন্দ্রনগরে দুই থানার এক ওসি

লালমনিরহাট অফিসঃ
অবিশ্বাস হলেও সত্য লালমনিরহাটের মহেন্দ্রনগরে একই ব্যক্তি দুই  প্রতিষ্ঠানে  চাকুরী করে আসছেন দীর্ঘদিন থেকে। উক্ত সুভাগ্যবান ব্যক্তির নাম এনামুল হক। তার বাড়ি হারাটি ইউনিয়নের ওকড়াবাড়ীতে বলে জানা গেছে। খোজ নিয়ে জানা গেছে, এনামুল হক নামের এক ব্যক্তি দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে মহেন্দ্রনগর কৃষক হিমাগারে হিসাব রক্ষক পদে চাকুরী করে আসছেন। উক্ত হিমাগারে ২ বছর চাকুরী করার পর মহেন্দ্রনগর ইউনিয়নের কাজীর চওড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে বিগত ১৬ বছর আগে সহকারী শিক্ষক হিসাবে (ইংরেজী) চাকুরী পান। সেখানে সকল সুযোগ সুবিধা ভোগ করার পরেও কৃষক হিমাগারে হিসাব রক্ষক পদে কর্মরত রয়েছেন। সরেজমিনে গেলে একাধিক ব্যক্তি সাংবাদিকদের বলেন, এনামুল হক কাজীর চওড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে চাকুরী করছেন আবার একই ব্যক্তি কৃষক হিমাগারেও কর্মরত রয়েছেন। তিনি একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত থাকার  পরেও কিভাবে আরও একটি প্রতিষ্ঠানে  চাকুরি করে বেতন ভাতা নিচ্ছেন বিষয়টি বিজ্ঞ মহলকে ভাবিয়ে তুলেছে। তিনি এ প্রতিষ্ঠানে  অনিয়মতান্ত্রিকভাবে চাকুরী করলেও প্রতিষ্ঠানের প্রধান রহস্যজনক কারনে নীরব ভুমিকা পালন করে আসছেন। বর্তমানে জেলা সদরে অনেক শিক্ষিত বেকার যুবক রয়েছে যারা একটি চাকুরীর জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে  ধর্না দিচ্ছে। অথচ মহেন্দ্রনগরের ওই প্রতিষ্ঠান দুই টিতে একই ব্যক্তি চাকুরী করছেন দীর্ঘদিন থেকে। একারনে অনেকে বলছেন এখানে দুই থানার এক ওসি দায়িত্ব পালন করছেন। এব্যাপারে কাজীর চওড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল হাকিম খানের সাথে কথা বললে তিনি কিছুই জানেন না বলে জানান। তবে অভিযুক্ত শিক্ষক এনামুল হক কোন সন্তোষজনক জবাব দিতে পারেনি।
কৃষক হিমাগারের ম্যানেজার মিজানুর রহমানের সাথে কথা হলে কাজীর চওড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক এনামুল হক হিসাব রক্ষক পদে সেখানে কর্মরত থাকার কথা সাংবাদিকদের লিখতে  নিষেধ করেছেন।এ বিষয়ে জেলা শিক্ষা অফিসার মো: আবুল কালাম আজাদ বলেন, কোন শিক্ষা প্রতিষ্টানের শিক্ষক অন্য কোন প্রতিষ্টানে চাকুরী করার বিধান নেই। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ পেলে তদন্ত পুর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *