ফুলবাড়ীতে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ভিজিডি’র চাল আত্নসাতের অভিযোগ

নুরনবী মিয়া, ‘ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি ঃ
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার ভাঙ্গামোড় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান লুৎফর রহমান বাবুর বিরুদ্ধে হতদরিদ্র নারীদের ভিজিডি কার্ডের চাল ও সঞ্চয়ের টাকা আত্নসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় সোমবার ওই ইউনিয়নের ১৮ জন নারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে পৃথক পৃথক অভিযোগ দায়ের করেছে।অভিযোগে জানা গেছে, উপজেলার ভাঙ্গামোড় ইউনিয়নের নগরাজপুর গ্রামের ভিজিডি কার্ডধারী আমিরন কার্ড নং-৫২১, তহমিনা কার্ড নং ৫৩১, জাহেদা কার্ড নং-৫৫০, শরিফা কার্ড নং-৫৩২, সালমা কার্ড নং-৮৮০, হাজরা কার্ড নং-৮৮১, জমিলা কার্ড নং-৫২৫, আমিনা কার্ড নং-৮২৭, কাকলী কার্ড নং-৮৯০ এবং সুজনেরকুটি গ্রামের ২৮৭ নং কার্ডধারী হাসনা ২০১৯-২০২০ চক্রে ভিজিডি’র তালিকাভুক্ত হন। কিন্তু কার্ড থাকার পরেও অদ্যবদি তারা কোন চাল পাননি। চালের জন্য তারা অনেকবার চেয়ারম্যানের কাছে গেলে চেয়ারম্যান লুৎফর রহমান বাবু তাদের কে তাড়িয়ে দিয়ে সমুদয় চাল আত্নসাত করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।অন্যদিকে সুজনেরকুটি গ্রামের ১১ নং কার্ডধারী শিরিনার ৭ মাসের চাউল, ৫১ নং কার্ডধারী বেবীর ৬ মাসের, ৮১২ নং কার্ডধারী লাইজুর ২ মাসের, ৩৭৮ নং কার্ডধারী আছিমনের ৮ মাসের, ৬৬ নং কার্ডধারী আল্পনার ১ মাসের এবং আটিয়াবাড়ী গ্রামের ৬৬১ নং কার্ডধারী মমেনার ১ মাসের চাউল আত্নসাতের অভিযোগ রয়েছে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে। তাছাড়া নজর মামুদ গ্রামের ৫৫৫ নং কার্ডধারী মোসলেহার ভিজিডির সঞ্চয়ের ৬৯০ টাকা ও ৬৩৪ নং কার্ডধারী সমস্তভানের ১২৪০ টাকা বইয়ে না তুলে আত্নসাত করেছেন বলে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেছেন।
ভুক্তভোগী জাহেদা খাতুন ও শরিফা খাতুন বলেন, আমরা ভিজিডি কার্ডের চাউলের জন্য অনেকবার চেয়ারম্যানের বাড়ী গিয়েছি, অফিসে দেখা করেছি। কিন্তু আমাদের নামে কার্ড থাকার পরও আমরা চাউল পাই নাই।
এ প্রসঙ্গে ভাঙ্গামোড় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান লুৎফর রহমান বাবু বলেন,আমি কারও চাল আত্নসাত করিনি। এসব অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার তৌহিদুর রহমান অভিযোগ প্রাপ্তির সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন,অভিযোগ গুলো যাচাই-বাচাই চলছে, যাচাই শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *