নাগেশ্বরীতে “পাওনা টাকা চাওয়ায় প্রাননাশের হুমকিতে দরিদ্র সাইদ আলী”

নূর-ই-আলম সিদ্দিক,নাগেশ্বরী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ নাগেশ্বরীতে পাওনা টাকা চাওয়ায় শারীরিক নির্যাতনের শিকার এক হত দরিদ্র পরিবার। শুধু তাই নয় – হত দরিদ্র ঐ পরিবারটি এখন প্রতিপক্ষের দ্বারা বাড়ি উচ্ছেদ সহ প্রাননাশের হুমকি থেকে রক্ষা পেতে গত ৩১/১০/২০ ইং তারিখে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন বলে জানা গেছে। নির্যাতিত পরিবার ও অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে- কচাকাটা থানার কেদার ইউনিয়নের চরবিষ্ণুপুর গ্রামের মৃত নওশের আলীর ছেলে আবু সাইদ (৬০)এর নিকট একই গ্রামের মৃত কইরো এর ছেলে মেছের আলী(৫৫) গত ১০/১০/১৩ ইং তারিখে তার নিজ নামীয় ১.১৬ একর জমি ৯০,০০০ টাকার বিনিময়ে ১৫০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্টাম্পে সই-স্বাক্ষর করে টাকা ফেরত না দেয়া পর্যন্ত উল্লেখিত জমি সাইদের নিকট বন্দক রাখার শর্তে ৯০,০০০ হাজার টাকা গ্রহন করে। পরবর্তীতে মেসের আলী স্টাম্পের শর্ত ভঙ্গ করে প্রতি মৌসুমে ৫ মণ ধান দেয়ার কথা বলে জোর পূর্বক উল্লেখিত জমিটি চাষাবাদ করতে থাকে। এরইমধ্যে মেসের আলী ২০১৭ সালে বন্দকী জমির ৯০,০০০ টাকার মধ্যে ৫৫.০০০ টাকা এবং মোট ধানের মোট ধানের মধ্যে ৭ মণ ধান সাইদের কাছে পরিশোধ করে। পরবর্তীতে বাকী টাকা ও ধান চাইতে গেলে মেসের আলী একই গ্রামের আব্দুস সালাম (৫৮) পিতা- মৃত মতি,সিদ্দিক (৪০) পিতা- মৃত মটুক,মি৬) পিতা- গাজী, মজিবর রহমান (৪৫) পিতা- মৃত গোলে, ইয়াজ উদ্দিন (৫৭) পিতা- মৃত ভোল্লো শেখ, ও আব্দুস সালামের ছেলে শহিদুল ইসলাম (৩৭) এবং তৌহিদুলদের সাথে নিয়ে সাইদকে বেদম মারপিট করা সহ বিভিন্ন প্রকার ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করে। এরই ধারাবাহিকতায় ১৫/১০/২০ ইং তারিখ আনুমানিক ১১.৩০ মিনিটে মেসের আলী উল্লেখিত লোকজনকে ডেকে নিয়ে লাঠিসোঁটা হাতে সাইদের বাড়িতে ঢুকে সাইদকে অকধ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। গালিগালাজের একপর্যায়ে মেসের আলী ও তার লোকজন সাইদের ঘরে ঢুকে সাইদকে এলোপাতাড়ি কিল খুশি ও লাথি মারতে থাকে। এ অবস্থায় ঘরে থাকা সাইদের স্ত্রী সন্তান সাইদকে রক্ষা করতে এলে তারাও মেসের আলী ও তার লোকজনের হামলার শিকার হয় বলে নির্যাতনের শিকার সাইদ,তার পরিবার ও অভিযোগ সুত্রে জানা যায়। এ বিষয়ে জানতে চাইলে কচাকাটা থানা অফিসার ইনচার্জ মাহবুব আলম বলেন- অভিযোগটি জিডি আকারে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। কোর্টের নিদর্শনক্রমে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *