অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচি (ইজিপিপি) অনলাইন পদ্ধতিতে টাকা উত্তোলনে দূর্নীতি কমেছে

শেয়ার করুন

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি ॥
সরকার ঘোষিত অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচি (ইজিপিপি) বা চল্লিশ দিনের কর্মসূচি খ্যাত রাস্তার মেরামত কাজের অনলাইন পদ্ধতিতে টাকা উত্তোলনে দূর্নীতি যেমন কমেছে। এতে খুশি এই কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া শ্রমিকরাও।সরকার অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচি (ইজিপিপি) আওতায় ২০২০-২০২১ অর্থ বছরে এই কাজে অংশ নেওয়া সকল সুবিধা ভোগীদের কাজের মজুরি প্রদানের জন্য অনলাইন পদ্ধতি চালু করেছে। এই কর্মসূচির অধিনে ময়মনসিংহ সদর উপজেলা সকল ইউনিয়নকে অন্তর্ভোক্ত করা হয়েছে। পূর্বে এই কর্মসূচির টাকা চেয়াম্যানগণ চেকের মাধ্যমে উত্তোলন করতেন,ফলে সুবিধাভোগীদের অনেক অভিযোগ ছিল টাকা নয়-ছয় বা মজুরির এই টাকা বন্টনের ক্ষেত্রে। এই অভিযোগ নিস্পত্তির লক্ষ্যে সরকার দেশের সকল জেলার সদর উপজেলাগুলোকে ব্যাংকিং সেবার আওতয় নিয়ে এসেছে। এতে দূর্নীতি অনেকাংশে লাগব হয়েছে বলে জানিয়েছেন সুবিধাভোগী শ্রমিকরা। এই পদ্ধতিতে শ্রমিকরা সারসরি নিজের টাকা নিজেরাই গ্রহণ করেন ব্যাংক থেকে। সরকার ঘোষিত অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচি (ইজিপিপি) বা চল্লিশ দিনের কর্মসূচি খ্যাত রাস্তা মেরামত কাজে প্রতিজন শ্রমিক প্রতিদিন তাঁর কাজের জন্য মজুরি পাবেন ২০০ টাকা। সাধারণত চল্লিশ দিন এইকর্মসূচি চলে। ময়মনসিংহ সদর উপজেলার অত্যন্ত জনগুরুত্বপূর্ণ একটি ইউনিয়ন চরনিলক্ষিয়া যেখানে অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচি (ইজিপিপি) আওতায় প্রথম ধাপে ৫৯৪জন শ্রমিক কাজ করেছেন এখন দি¦তীয় ধাপেও সমপরিমাণ শ্রমিক ৩৫দিন কাজ করেছেন। এই মজুরির টাকা গত সোমবার দুপুরে শ্রমিকদের মাঝে। বন্টন করা এ কর্মসূচির আওতায় নারী-পুরুষ ও তৃতীয় লিঙ্গ সকেেলই সমপরিমান মজুরি পাবেন। ব্যাংকিং পদ্ধতিতে টাকা উত্তোলনের ব্যপারে জানতে চাইলে রশিদপুর গ্রামের বাসিন্দা এই কর্মসূচির এক নারী রহিমা বেগম জানান, ব্যাংকের মাধ্যমে আমরা সহজে ট্যাকা পাইছি, কেউ আমরারে ঝামেলা করছে না। শাহাবাজপুর গ্রামের এক পুরুষ শ্রমিক রাশেদুল হক বলেন, ব্যাংকের মাধ্যমে ট্যাকা তোলতে পেরে আমি খুব খুশি। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে চরনিলক্ষিয়া ইউনিয়ন পরিষরে চেয়ারম্যান মোঃ ফারুকুল ইসলাম রতন বলেন, এই কর্মূচির টাকা বন্টনে আগে শ্রমিকদের অনেক অভিযোগ ছিল, এখন শ্রমিকরা নিজেদের টাকা নিজেরাই উত্তোলন করছে তাতে তারা খুশি,আরাও খুশি কারণ এ পদ্ধতির কারণে আমাদের কোন দূর্নামের ভাগিদার হতে হচেছ না। এই কর্মসূচি টাকা বন্টনের সময় আরও উপস্থিত ছিলেন প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ রইছ উদ্দিন মন্ডল, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ নজরুল ইসলাম,কর্মসূচির প্রকৌশলী সন্তস বাবু ও অত্র ইউনিয়ন পরিষদের মে¤

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *