রানীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি।।
“…আমি চাই আপনাদের এই এলাকা তথা রাণীশংকৈল-পীরগঞ্জ এলাকা একটি উন্নত এলাকা হোক।…এই আসনে উপ-নির্বাচনে নির্বাচিত হয়ে আমি কি উন্নয়ন করেছি, আপনারা ইতোমধ্যে তা জানেন। আপনারা চিন্তা করেন আপনাদের মূল্যবান ভোটটা কাকে দিবেন? কোথায় দিবেন ? কাকে দিলে রাস্তা ঘাটের উন্নয়ন হবে চিন্তা করবেন। আপনারা জানেন আগামী ৭ জানুয়ারি রবিবার জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ নির্বাচনে লাঙ্গল মার্কায় ভোট দিয়ে আমাকে আবারও নির্বাচিত করলে আপনাদের সার্বিক উন্নয়নে কাজ করে যাবো। আপনাদের এ এলাকার মানুষের কি কষ্ট কি দুর্ভোগ আমি সবই জানি, সবই বুঝি। আমি চাই আপনাদের এলাকাটি একটি উন্নত এলাকা হোক। গতকাল মঙ্গলবার ও বুধবার ২৬, ও ২৭ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় রাণীশংকৈল উপজেলায় বিভিন্ন নির্বাচনী পথ সভায় জাতীয় পার্টি মনোনীত দ্বাদশ সংসদ সদস্য প্রার্থী হাফিজউদ্দীন আহম্মেদ এমপি এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, যখন বাংলাদেশের সব জেলা- উপজেলার নির্বাচনী এলাকাগুলো উন্নত অবস্থায় গিয়েছে, তখন এখনো আমরা রানীশংকৈল- পীরগঞ্জবাসি কাঁচা রাস্তা পাকা করার জন্য দৌড়াচ্ছি। অথচ অন্যান্য এলাকার মানুষ রাস্তা পাকা করনের কথা বলেনা। তারা তাদের কর্মসংস্থানের কথা বলেন,শিল্প কারখানার কথা বলেন। আপনারা জানেন রাণীশংকৈল- পীরগঞ্জের প্রায় ৫০০ মসজিদে আমি সরকারি টিআর কাবিখার ৫০ হাজার থেকে দেড় লক্ষ টাকা পর্যন্ত দিয়েছি।
আপনাদের টি আর কাবিখা, মসজিদ মন্দিরের টাকা আমি লুটপাট করার জন্য আসিনি। আমি এসেছি আপনাদের সেবা করার জন্য। সে কারণে আমি বলতে চাই আপনারা আগামি ৭ জানুয়ারি ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে লাঙ্গল মার্কায় ভোট দিবেন। আমি নির্বাচিত হলে উন্নয়ন করে দেখাবো ইনশাল্লাহ। এ সময় আরো বক্তব্য দেন, উপজেলা জাতীয় পার্টির আহবায়ক জাহাঙ্গীর আলম যুগ্ম আহবায়ক, আবু তাহের ঠিকাদার, নন্দুয়ার ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি আল্লামা ইকবাল,সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ফয়জুল ইসলাম, সাংবাদিক মো. বিপ্লব, সাবেক ইউপি সদস্য আজারুল ইসলাম, ইউনিয়ন জাপার প্রবীণ নেতা হাফিজউদ্দিন প্রমূখ। ঠাকুরগাঁও-৩ আসনটিতে মোট ৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন- জাতীয় পার্টি থেকে লাঙ্গল প্রতীকে হাফিজ উদ্দীন আহম্মদ, বিকল্পধারা বাংলাদেশের কুলা প্রতীকে খলিলুর রহমান, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির হাতুড়ি প্রতীকে অধ্যক্ষ গোপাল চন্দ্র রায় এবং ঈগল প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী আশা মনি। এ আসনে দুই উপজেলায় দুটি পৌরসভা ও ১৬ ইউনিয়নে মোট ভোটারের সংখ্যা ৩ লাখ ২৪ হাজার ৭৩৯ জন। এরমধ্যে ১ লাখ ৬৫ হাজার ২৩৫ জন পুরুষ ভোটার এবং ১ লাখ ৫৯ হাজার ৫০৪ জন নারী ভোটার রয়েছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো পড়ুন