mail.google

মোহাম্মদ সাকিব চৌধুরী, খানসামা (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:
দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার একমাত্র পশু হাসপাতালটি যেন নিজেই রুগ্ন অবস্থায় পড়ে আছে। উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের ১টি মাত্র পশু চিকিৎসালয়। গরু, ছাগল, হাঁস, মুরগী, কবুতর, কোয়েল পাখিসহ বে-সরকারীভাবে গড়ে উঠা অনেকগুলো খামার রয়েছে খানসামা উপজেলায়। পশু হাসপাতালটি উপজেলার হেড কোয়াটারে অবস্থিত। হাসপাতালটিতে রয়েছে মাত্র একজন ভেটেরিনারি সার্জন। তিনিও প্রায় প্রতি মাসে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ট্রেনিং এ বাইরে থাকেন। অন্যান্য ১১টি পদের প্রায় সবকটি পদ বর্তমান শুন্য অবস্থায় আছে। আর যে কয়েকজন কর্মচারী রয়েছেন তাদের চাকুরী জীবনের শেষ পর্যায়ে চলছে। হাসপাতালের কম্পিউটার অপারেটর এর সাথে কথা বলে জানা যায়,তার সরকারী চাকুরীর অবসরের আর মাত্র কয়েক মাস বাকি। এম.এল.এস.এস আবুল কালাম সে একমাত্র ব্যক্তি যিনি সম্পূর্ণ উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের পশু চিকিৎসার ভ্যাকসিন, টিকা অন্যান্য ঔষধ সামগ্রী সরবরাহ করেন। উপজেলায় বর্তমানে পশু রোগ এ্যানথ্রাক্স, তরকা, বার্ড ফ্লু’র মতো রোগ মহামারি আকারে দেখা গেলে রোগ প্রতিরোধ করার মতো নেই কোন ডাক্তার, নেই কোন ঔষধ পত্র বর্তমানে হাসপাতালটিতে। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে এবং দেশে মাংসের চাহিদা মেটানোর লক্ষ্যে পশু পালন ছাড়া এর কোন বিকল্প নেই। উপজেলায় কোন এক সময় ১টি সরকারী খামার ছিল। সেখানে প্রায় শতাধিক হাঁস, মুরগী ছিল। বর্তমানে সেটিও আর নেই। অত্র এলাকার জাতীয় সংসদ সদস্য মাননীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রী আবুল হাসান মাহামুদ আলী এম.পি’র এলাকা বিধায় অত্র হাসপাতালটিতে আধুনিক যন্ত্রপাতিসহ পশু চিকিৎসক, কর্মচারী নিয়োগ ও আনুসাঙ্গিক বিষয়গুলো মন্ত্রী দৃষ্টি আর্কষন করে এলাকার জন সাধারন। জলবায়ু পরিবর্তন ও বৈশ্বিক লড়াইয়ে পশু, পাখিরাও এর অংশিদার। এদের বাঁচাতে এ মানব সভ্যতাকে এগিয়ে আসতে হবে বলে অভিমত বিশিষ্ট জনদের।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো পড়ুন