mail.google
মো: মানিক হোসেন চিরিরবন্দর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি: দিনাজপুর চিরিরবন্দরে ভুল অপারেশনে স্কুল ছাত্রীর মৃত্যুর জন্য দায়ী কে ? ডাক্তার মাফি’ নাকি ম্যানেজার রেজা আলী। রানীরবন্দরে ভুল অপারেশনে সদ্য প্রস্ফুটিত স্কুল ছাত্রীর জীবন্ত প্রদীপ নিভে যাওয়া নাছরিন আক্তারের মৃত্যুর জন্য দায়ভার কে নেবে।সে বড় আশা করে সারা জীবন সুস্থ সবল থাকতে মাথায় সেম্পু দিয়ে গোসল করে গত শুক্রবার বিকালে বাবা মা ও তার ছোট বোন নুসরাত জাহানের সাথে হেসে খেলে হাঁটা পথে এসেছিল রানীরবন্দর পলিটেক প্রাইভেট হাসপাতালে ,কি সমস্যা হয়েছিল তার, সামান্য হার্নিয়া ,এটা বড় ধরনের সমস্যা নয়,যে তার জন্য অপারেশন করতে হবে। তারপরেও মোটা অংকের টাকার আশায় অপরেশন থিয়েটারে নিয়ে গিয়ে অজ্ঞান না করে অপারেশন শুরু করলে প্রথমে বাবা বাবা বলে বার বার চিৎকার করলে নাছরিনের বাবা তার মেয়ের চিৎকারে অপরেশন থিয়েটারে টুকতে চাইলে থাকে বাধা দেওয়া হয় এক পর্যায়ে মেয়ের চিৎকার সয্য করতে না পেয়ে দরজা ধাক্কা দিয়ে ভিতরে প্রবেশ করে দেখেতে পায় নাছরিন আক্তারের শরীর থেকে প্রচুর রক্তক্ষরন হচ্ছে এবং তখনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পরে নাছরিন আক্তার। তবে অনেকে জানায় হাসপাতাল ম্যানেজার কখন নিজেকে বড় মাপের ডাক্তার সেজে অপারেশন থিয়েটারে ডাক্তরের সহযোগী হিসাবে কাজ করে থাকে । নিজে যন্ত্র নিয়ে নাড়া চাড়া করে।তবে সে কি সেই হাসপাতালের ম্যানেজার রেজা আলী ,ডাক্টার মাফির অপেক্ষায় না থেকে নিজেই ডাক্টার সেজে অপরেশন শুরু করে ছিলো। তবে কেন ডাক্টার মাফি মুখ খুলছে না।
খানসামার টি এইচ এ ডাক্টার আবদুল্লা আল মাফির সাথে গতকাল (রোববার) মুঠোফোনে কথা হলে তিনি কোন কথায় বলতে রাজি নন। এদিকে পলিটেক হাসপাতালের ম্যানেজার রেজাউল করিম রেজার সাথে মুঠোফোনে অপরাশনের ব্যাপারে কথা হলে সে বিষয়টি এড়িয়ে যায়। তাহালে কি ম্যানেজার রেজা আলী রোগীকে নিয়ে অপরেশন প্রশিক্ষন দিচ্ছেন। নাকি প্রশিক্ষন গ্রহন করছেন ,বিষায়টি খতিয়ে দেখার আহব্বান দাবি জানান এলাকা বাসী।
তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেক এলাকাবাসী অভিযোগ করে বলেন, স্থানীয় প্রশাসন ও থানা প্রশাসন ম্যনেজ করে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার পায়তারা করছেন। এ দিকে এলাকাবাসীর দাবী ঘটনাার সত্যতা যাচাই করে দোষী ব্যক্তিদের কঠোর শাস্তির দাবী করেন। আরো জানা গেছে অনুমোদনহীন এই হাসপাতালটি প্রশাসনকে মাসোয়ারা দিয়ে অনেক দীর্ঘ দিন ধরে অনেক অপকর্ম করে আসছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। অপর দিকে ডেলিভারী রোগীদের বিভিন্ন পরিক্ষা নিরিক্ষা করে বাচ্ছা সঠিক পজিসনে না থাকার কথা বলে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে মোটা অংকের অর্থ হাতিয়ে নিয়ে সিজার করারও অভিযোগ পাওয়া গেছে। অন্য দিকে হাসপাতালের চাকুরী দেওয়ার নাম করে ডাক্টারি ট্রেনিংনের কথা বলে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয় পরিচালক দেবেশ চন্দ্র রায় ও ম্যােনজার রোজাউল করিম (রেজা)। রেজা উপজেলার সাতনালা ইউনিয়নের মৃত: জাহানের ছেলে বলে জানা যায়।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।