mail.google.com

মোহাম্মদ মানিক হোসেন, চিরিরবন্দর(দিনাজপুর) প্রতিনিধি:

বাংলাদেশ শিক্ষা মন্্রণালয়র শিক্ষকদের প্রাইভেট কোচিং ব্যবসা বন্ধে প্রজ্ঞাপন জারি করে প্রশাংসা কুড়ালে ও এ নীতিমালা বাস্তবায়নে না থাকা ,বিভিন্ন অজুহতে প্রতিষ্ঠানে বছরের র্পূণাঈ ক্লাস না হওয়ায় ছাএ-ছাএী, অভিভাবক দারুন ভাবে হতাশ এবং শির্ক্ষাথীররা কোচিং প্রাইভেট নির্ভর হয়ে পড়ছে। ফলে দিনাজপুরের চিরিরিবন্দরের রানীরবন্দর সহ পুনরায় জমজমাট ভাবে প্রাইভেট কোচিং ব্যবসা শুরু হয়েছে। ওই প্রজ্ঞাপন জারির পর শিক্ষক শিক্ষিকা গন অতংকিত হয়ে পড়েন এবং তারা তাদের সাইনবোর্ড, ব্যানার নামিয়ে ফেলেন , কোচিং ব্যবসা বন্ধ করে দেন। কিন্তু নীতিমালার কোন প্রকার বা¯বায়ন , তদারকি না থাকায় ওই নীতিমালাকে তোয়াক্কা না করে শিক্ষক শিক্ষিকা গন দেদারসে প্রাইভেট, কোচিং বানিজ্য শুরু করেছে। শিক্ষকরা এটা কে ব্যবসা হিসাবে নিয়ে এক ব্যচে ৪০/৫০ করে ছাএ ছাএী এক কক্ষে গাদাগাদি করে পড়াছেন। প্রতিজনের নিকট নেয়া হচ্ছে ৪০০/৫০০ টাকা। এতে শিক্ষকরা শ্রেণী কক্ষে পাঠদানে মনোযোগী না হয়ে প্রাইভেট, কোচিং ব্যবসায় বেশী মনোযোগী হওয়ায় ছাএ-ছাএীরা শ্রেণী কক্ষ ফাঁকি দিয়ে প্রাইভেট কোচিং এ বেশী সময় কাটাচ্ছেন। এ সব স্থানে ছেলে মেয়ে এক সাথে অবাধ মেলামেশার সুযোগ সৃষ্ঠি হওয়ার ফলে প্রম প্রীতি বেশী হচ্ছে এবং পড়া লেখা বিনিষ্ট করে মেয়েরা ছেলে বাবা মার বাড়িতে পালিয়ে আসছে বিয়ের দাবীতে। ফলে বাল্যবিবাহ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ রকম ঘটনা প্রতিনিয়ত ঘটছে, আবার কিছু দিন যেতে না যেতে এই সব বিয়ের বিচ্ছেদ হচ্ছে। আমাদের প্রশ্নের জবাবে এক শিক্ষক বলেন , শিক্ষকদের বাড়ি ভাড়া , চিকিৎসা ভাতা ,ইনকিরি মেন্ট বৃদ্ধি না করে প্রাইভেট কোচিং বন্ধ করা ঠিক হবে না। তবে কোচিং নিয়ে মন্্রণালয়র নাড়া দিয়ে এই পর্যায়ে এসেছে , তাই প্রাইভেট কোচিং বন্ধে অভিভাবকের ভূমিকা থাকতে হবে। অভিভাবকের ভূমিকা থাকলে শিক্ষার ধারা পরিবর্তনের সাথে সাথে কোচিং বার্নিজ্য বন্ধ হবে ।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।