নাগেশ্বরী সোনালী ব্যাংকে ৭৮ হাজার টাকা হারিয়ে দিশেহারা মাদ্রাসা শিক্ষক

শেয়ার করুন

নাগেশ্বরী প্রতিনিধিঃ
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী সোনালী ব্যাংক শাখায় চুরি এখন নিত্তনৈমিত্তিক ঘটনা।

আজ সকাল আনুমানিক ১১.৩০ ঘটিকার সময় বুড়িরহাট দাখিল মাদ্রাসার সহকারী সুপার এ.বি.এম মোস্তফা মিয়া তার একাউন্টে মেয়ের ফার্নিচার কিনে দেয়ার জন্য জমানো টাকা তোলার জন্য এসে ক্যাশ কাউন্টার ববিতা রানীর নিকট থেকে আটাত্তর হাজার টাকা উত্তোলন করে পাশের টেবিলে চেকের রিকোজিশন জমা দিয়েই পকেটে হাত দিয়ে দেখতে পান তার টাকা চুরি হয়েছে।

সাথে সাথে ক্যাশ অফিসার আব্দুল করিম এবং ববিতা রানিকে বিষয়টি জানায়, কিন্তু তারা বিষয়টি গুরুত্বসহকারে না দেখার কারনে ওই এদিক সেদিক ছুটা ছুটি করতে থাকে।

ভুক্তভোগী চুরির বিষয়ে দুপুর ২ঘটিকার সময় ব্যবস্থাপক এ-র সাথে সাক্ষাৎ করলে ব্যাবস্থাপক শরিফুল আজম বলেন,আমাকে কেউ জানায়নি, আমি বিষয়টি এ-ই মাত্র জানলাম, এ বিষয়ে আমার আর কি করার আছে। ক্ষমা চাওয়া ছাড়া আমার আর কিছু করার নেই। আমার উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে বললেও এ কথাই বলবে।
অফিসের সি সি টিভি ক্যামেরার কথা বললে, তিনি জানান উপর মহলে অনেক বার চিঠি দিয়েছি,কিন্তু কোন কাজ হয় নি।

এ সময় ব্যাংকের প্রবেশদ্বারে পোষাক ও অস্ত্রধারী কোন নিরাপত্তাকর্মী না থাকার বিষয়ে প্রশ্ন তুললে ব্যবস্থাপক বলেন, সব ব্যাংকে এভাবেই চলে।

ঘটনার পরে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আনছার বাহিনী প্রবেশদ্বারে না থেকে অফিসের কাজে ব্যস্ত থাকতে দেখা গেছে।

উল্লেখ্য যে, নাগেশ্বরী সোনালী ব্যাংকের এ-ই শাখায় চুরি এখন নিত্তনৈমিত্তিক ঘটনা হয়ে দাড়িয়েছে।

কিছুদিন পুর্বে এক বৃদ্ধ ব্যাংকে টাকা উত্তলনের পর তার হাত থেকে টাকা ছিন্তাই হয়ে যায়। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মিজান মাষ্টারের আইফোন হারিয়েছে। ভিতরবন্দ ফাযিল মাদ্রাসার শিক্ষকের মানিব্যাগ ও টাকা হারিয়েছে। এরকম ঘটনা যেন প্রায়ই ঘটছে।

স্থানীয় সুধি মহলের ধারনা, উপজেলার এত বড় একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানে গ্রাহকদের স্বার্থে সিসিটিভি প্রয়োজন। সিসিটিভি না থাকায় চুরি বৃদ্ধি পেয়েছে। সিসিটিভি সহ নিরাপত্তা জোরদার করা প্রয়োজন।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না।