রাণীশংকৈল প্রতিনিধি ॥
ঠাকুরগাওয়ের হরিপুরে পল্লী বিদ্যূৎ সমিতির বিদ্যূতের লাইন নির্মান করে দেওয়ার নাম করে সাধারন গ্রাহকের হাজার হাজার টাকা আত্বসাতের অভিযোগ উঠেছে ভিলেজ ইলেকট্রিশিয়ান শ্রী রবি’র বিরুদ্বে। এ অভিযোগের ভিত্তিতে সরজমিনে উপজেলার মশানগাও গ্রামে গেলে বিদ্যূৎ প্রত্যাশী গ্রাহক মুনসুর,জরিনা,রশিদসহ অনেকে জানান,প্রায় ১৩ মাস আগে ডিপোজিট ওর্য়াকে মিটার সংযোগ নেওয়ার জন্য মিটার প্রতি ১২ হাজার টাকা করে শিক্ষক মহাদেবের মাধ্যমে ইলেকট্রিশিয়ান রবিকে দেয়। মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে এখন পর্যন্ত কোন মিটার সংযোগ দেওয়া হয়নি। কথা ছিল রবির চাহিদামত টাকা দিলে সে আমাদের ঘরে বাতি জ¦ালিয়ে দিবে। আমরা তার চাহিদামতই টাকা দিয়েছি। সর্বোচ্চ ৬ মাসের মধ্যে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার কথা থাকলেও ১৩ মাস পার হয়ে যায়। ইলেকট্রিশিয়ান রবি আরো টাকা নেওয়ার জন্য এই পায়তারা করে আসছে বলে জানায়। বর্তমানে রবি মিটার প্রত্যাশিদের সাথে আপত্তিকর আচরণ করছে। ইলেকট্রিশিয়ান রবি’র বিরুদ্বে আরো অভিযোগ উঠে যে,ঐ এলাকার খালেক সামে বিদ্যূৎ প্রত্যাশী গ্রাহকের নিকট ১৪০ ফিট দুরত্বে সংযোগ করে দিবে মর্মে ১২হাজার টাকা নেই। তাকেও র্দিঘদিন ধরে ঘুরাচ্ছে বলে জানা যায়। শিক্ষক মহাদেবের সাথে কথা বললে তিনি জানান ,আমার সামনেই রবি’কে মিটার প্রতি ১২হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু রবি কেন যে, এখন প্রর্যন্ত কাজটি করছেনা বুঝতে পারছি না। তবে ইলেকট্রিশিয়ান রবি এসব অভিযোগ অস্বীকার করেন। ববি’র আবাসন গ্রামবাসী সুত্রে জানা যায, রবি অনেক মানুষের কাছে এমন ভাবে টাকা পয়সা নিয়ে তাদের হয়রান করছে। পল্লী বিদ্যুতের কাজের নামে রবি জায়গা-জমি, গাড়ি, কালো টাকা ওয়ালা হয়েছে। এর আগে তার কি ছিল বলাবাহুল্য। এ প্রসঙ্গে রাণীশংকৈল সাব জোনাল অফিসের এজিএম এহতেসামুল হক বলেন, আমি রবি নামে কোন ইলেকট্রিশিয়ানকে চিনি না। টাকা নেওয়া প্রসঙ্গে একটু এড়িয়ে গিয়ে বলেন, এটা আমাদের কৃষ্টিকালচার হাতের ৫টি আঙ্গুলতো সমান না। রশিদ ছাড়া টাকা গ্রহণ করা হয় না।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।