কামরুল ইসলাম হৃদয়,ব্যুরো প্রধান,চট্টগ্রাম::
বাংলাদেশ এর সংগীত জগতে তরুন গায়ক এর সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। আজ যারা তরুন গায়ক তারাই বাংলাদেশের আগামীর ভবিষ্যৎ বলা যায়। এই তরুন গায়কদের মধ্যে একজন চট্টগ্রাম এর “এএইচ মোনাঈম”। তিনিও হয়ত অন্যদের মত স্বপ্ন দেখেন একজন ভাল সংগীত শিল্পী হওয়ার। তার পৈতৃকনিবাস ব্রাম্মনবাড়ীয়া জেলায় হলেও ছোট থেকে বেড়ে ওঠা চট্টগ্রাম এই। সংগীত জগতে তার পথচলা শুরু হয় মায়ের হাত ধরে। ২০০৮ – ২০১০ পর্য ন্ত ভারতের কলকাতায় “নব নালন্দা মিউজিক স্কুল” এর ছাত্র ছিলেন তিনি। ২০১৫ সালে “মন পাঝরে” শিরোনামে প্রকাশিত হয় তার লেখা ও সুর করা প্রথম গান। গানটি কম্পোস করেছিলেন চট্টগ্রাম বাংলাদেশ বেতার এর মিউজিক ডিরেক্টর “ফরিদ বঙ্গবাসী”। গানটি কে শ্রোতারা ভাল সারা দিতে দেখা গিয়েছে। অনলাইনে বিভিন্ন ওয়েবসাইট মিলিয়ে এখন পর্যন্ত ৫ লক্ষের ও অধিক ডাউনলোড করা হয়েছে গানটি। স্টুডিও ভারসন ভিডিও টি ইউটিউব এ ১ হাজার এর অধিক ও ফেইসবুক এ ১ লক্ষ ৫০ হাজার এর অধিক ভিউ হয়েছে। সবার ভালবাসা ও সাপোর্টে অনুপ্রাণিত হয়েই হয়ত এবার ২য় গানের কাজ শুরু করেছেন তিনি। ভালবাসা দিবস উপলক্ষে “স্বপ্নচারীনী” শিরোনামে গানটি প্রকাশিত হবে বলে জানা গেছে। তার লেখা ও সুরে এই গানটি তে কো আর্টিস্ট হিসেবে থাকছেন চট্টগ্রাম এর সিনিয়র শিল্পীদের একজন সুরেলা কন্ঠের অধিকারী “এসবি সুমি”। বরাবরের মত গানটি কম্পোস করছেন চট্টগ্রাম এর সিনিয়র মিউজিক কম্পোসার “ফরিদ বঙ্গবাসী”। ফোনে যোগাযোগ করলে এক প্রশ্নের উত্তরে “এএইচ মোনাঈম” জানায় – আগের গান এর চাইতে এই গানটি ভাল করার চেষ্টা করছেন। তিনি আরও বলেন তার প্রথম একক এলবাম “অশ্রু শ্রাবণ” এর কাজ চলছে। প্রত্যেকটা গান এ ভিন্নতা বজায় রাখার চেষ্টা করবেন বলে জানান। সবসময় তাকে সাপোর্ট করে পাশে থাকার জন্য সবাইকে অনুরোধ করেছেন তিনি। এমন অনেক “এএইচ মোনাঈম” এরই স্বপ্ন হয়ত অনেক দূর যাওয়া। এর জন্য খুব বেশী কিছুর প্রয়োজন নেই। শুধু আপনাদের একটু সাপোর্ট, দোয়া, আর ভালবাসা এসবই যথেষ্ট।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।