ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
ভুরুঙ্গামারীতে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে আকস্মিক বন্যায় উপজেলার ৮ টি ইউনিয়নের ৩৭ টি গ্রামের ৩৯ হাজার ৪ শত ৩২ জন বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত । বন্যার পানি কমে গেলেও পর্যাপ্ত ত্রান ও রাস্তাঘাট ভেঙ্গে যাওয়ায় দুর্ভোগে ভুগছে ২৫ হাজার মানুষ।
জানাগেছে উপজেলার
জানাগেছে উপজেলার শিলখুড়ি ইউনিয়নের বন্যায় ও নদী ভাঙ্গনে ৪৮৪৪জন ,তিলাই ইউনিয়নে ৪৫২৪ জন,পাইকেরছড়া ইউনিয়নে ৩৬০০ জন ,আন্ধারীঝাড় ইউনিয়নে ৪৯২৪ জন চরভুরুঙ্গামারী ইউনিয়নে ৩৬০০ জন,বঙ্গসোনাহাট ইউনিয়নে ৯০৫২ জন,ভুরুঙ্গামারী সদর ইউনিয়নে ৮০০ জন এবং বলদিয়া ইউনিয়নে ৮৩৪৮ জন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার রবিউল ইসলাম জানান, উপজেলা প্রশাসন থেকে বন্যার্তদের বরাদ্দকৃত জি,আর চাউল ৬০ মেট্রিক টন চাউল ইতিমধ্যে ইউপি চেয়ারম্যানদের মাধ্যমে বন্যার্তদের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে। বরাদ্দকৃত জি,আর ক্যাশ ২ লক্ষ ৫ হাজার টাকা ও শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে । উপজেলা প্রশাসন থেকে বন্যার্তদের ত্রান বিতরণে অনিয়ম ঠেকাতে নিয়মিত মনিটরিং হচ্ছে। এদিকে সরকারী ত্রানের পাশাপাশি কুড়িগ্রাম-১ আসনের সংসদ সদস্য এ,কে,এম মোস্তাফিজুর রহমানের উদ্যোগে আন্ধারীঝাড় ও শিলখুড়ি ইউনিয়নের ২হাজার পরিবারে ত্রান বিতরণ করা হয়েছে। ছিট পাইকেরছড়া নির্মানাধীন ¯্রপি রোডের ১.৬ কিলোমিটার রাস্তার ডব্লিউ বিএম এর কাজ শেষ হওয়া রাস্তা সহ কয়েকটি পাকা ও কাচা রাস্তার ব্যাপক ক্ষতি হওয়ায় হয়েছে এছাড়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে ১০/১৫ টি ব্রীজ/কালভাট নষ্ট হওয়ায় উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজারে যেতে পারছে না বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ। অনতি বিলম্বে বন্যা পরবর্তী সময়ে বন্যার্তদের পুনর্বাসনে জন্য কর্মসৃজন প্রকল্প চালু সহ রাস্তাঘাট মেরামতের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট জোর আবেদন করেছেন এলাকার সুধীজন।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।