unnamed

এ.এস.খোকন, ভূরুঙ্গামারী (কুড়িগ্রাম) ঃ
কুড়িগ্রাম জেলার ভূরুঙ্গামারী উপজেলার ১০টি ইউনিয়নে বোরো রোপনে কনকনে শীতের ঠান্ডাকে হার মানিয়ে ফসলের মাঠে কৃষক-কাষাণীরা সারাক্ষণ ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। উপজেলাগুলোর বিভিন্ন এলাকাঘুরে দেখা যায়, মাঘের আবহাওয়া ঠান্ডা ভাব থাকলেও সামান্য রোদ পেয়ে কৃষকেরা অতি উদ্দমের সঙ্গে ভোর না হতেই ফসলের মাঠে নেমে পড়ে এবং সন্ধ্যা পর্যন্ত একটানা বোরো রোপনে ব্যস্ত সময় পাড় করছে। উপজেলার চর-ভূরুঙ্গামারী ইউনিয়নের ইসলামপুর গ্রামের শহিদুল ইসলাম জানান, শীতের প্রচন্ড কনকনে ঠান্ডার কারণে আবাদ করার সময় অনেকটা পিছিয়ে গেছে। তাই এ সময় পুরণ করা লক্ষ্যে সারাক্ষণ পরিশ্রম করে বোরো চারা জমিতে রোপন করছি। কৃষি শ্রমিক কামাল হোসেন বলেন, এত শীতের কনকনে ঠান্ডা আমি জীবনে আমি দেখিনি। পেটের দায়ে আমাকে কৃষি শ্রমিকের কাজ করে কষ্ট হলেও প্রতিদিন আড়াইশ টাকা রোজগার করতে পারছি। কিন্তু খাদ্যদ্রব্যের উর্ধ্বগতি হওয়ায় সংসার চালাতে কষ্ট হচ্ছে। ভূরুঙ্গামারী উপজেলা দেওয়ানের খামারের বোরো চাষী মিজানুর রহমান জানান, এবারের শীতের ঠান্ডায় অত্র উপজেলায় বোরো চারাগুলো ছোট ও লালচে হওয়ায় শ্রমিকদের প্রতি বিঘায় মুজুরী দেড় হাজার টাকা দিতে হচ্ছে। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষন কর্মকতা জানায়, চলতি বোরো মৌসুমে ১০টি ইউনিয়নে ১৪ হাজার ১৩০ হেক্টর জমিতে বোরো ও বিভিন্ন জাতের ধান আবাদের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে এবং গভীর ও অগভীর-বিদ্যুৎ চালিত সেচযন্ত্র মোট ১ হাজার ৭১টি, ডিজেল চালিত সেচযন্ত্র ৩ হাজার ৯২৫টি, এলএলপি রয়েছে ১৪টি। এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আখতারুজামান বলেন, চলতি বোরো মৌসুমে বিদ্যুত, সার ও ডিজেলের কোন সংকট না থাকার কারনে কৃষকরা লক্ষমাত্রায় পৌছাইতে সক্ষম হবেন বলে তিনি আশা করছেন।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।