ভোলাহাট(চাঁপাইনবাবগঞ্জ)প্রতিনিধিঃ
বাল্য বিবাহ রোধে উপজেলা নির্বাহী অফিসার নানা উপায়ে সাধারণ মানুষের মাঝে গণসচেতনতা সৃষ্টির অংশ হিসেবে ভোলাহাট উপজেলার ৪টি ইউনিয়ন বিবাহ রেজিষ্ট্রারদের মাসে মাসে সভা ও বিশেষ সভায় বাল্য বিবাহ না পড়ানোর অঙ্গীকার ও শপথ বাক্য পাঠ করালেও বাল্যবিবাহ পড়ানোর দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতে সাজা হয়ে শ্রীঘরে প্রেরণের খবর পাওয়া গেছে। জানা গেছে, উপজেলার তেলীপাড়া গ্রামের কারন আলীর মেয়ে কারিমা খাতুন (১৩) ও একই উপজেলার যাদুনগর গ্রামের মুঞ্জুর আলীর ছেলে সাবিরুল ইসলাম(২৪)’র সাথে নিকাহ রেজিষ্ট্রার ইমামনগর গ্রামের আব্দুল মতিনের ছেলে মইনুল ইসলাম(৩৭) বৈধ কাগজ-পত্র না দেখেই বিয়ে দেয়, গত ২৬ ফেব্র“য়ারী রাতে। এ ছাড়াও জেএসসি ও জেডিসি অনেক পরীক্ষার্থীদের বাল্যবিয়ে দেয়ার প্রেক্ষিতে, ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবুল হায়াত মোঃ রফিক খবর পেয়ে শনিবার সন্ধ্যায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে ঐ ইউনিয়নের দায়িত্বে নিয়োজিত বিবাহ রেজিষ্ট্রার মইনুল ইসলামকে আটক করে। পরে নিকাহ রেজিষ্ট্রারকে বাল্যবিবাহ পড়ানোর দায়ে বাল্যবিবাহ নিরোধ আইনে বিনাশ্রম ১৫দিনের কারাদন্ড প্রদাণ করা হয়।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।