যশোরের নরেন্দ্রপুরে উৎসবমুখর পরিবেশে “অগ্নিঝরা মার্চ” প্রথম দিনেই উদযাপন শুরু

আশানুর রহমান আশা, বেনাপোল
বছর ঘুরে আবারও এলো অগ্নিঝরা মার্চ, স্বাধীনতার মার্চ। বাংলার আন্দোলন-সংগ্রামের ঘটনাবহুল ও বেদনাবিধুর স্মৃতি বিজড়িত ১৯৭১-এর এই মার্চ মাসেই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে শুরু হয় অসহযোগ আন্দোলন।

স্মরণীয় এই মাসের ১ম দিন হতেই যশোর সদর উপজেলার নরেন্দ্রপুর ইউনিয়ন জুড়ে চলছে স্বাধীনতার সুবর্নজয়ন্তী উদযাপন। আজ ০১ মার্চ, মঙ্গলবার সকালে সর্বপ্রথম নরেন্দ্রপুর ইউনিয়নের জামতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে পুরষ্কার বিতরণ করেন অত্র পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান রাজু আহম্মেদ।

জানা গেছে, এরপর তিনি ইউনিয়ন ব্যাপী বিভিন্ন স্থানে ও বিদ্যালয়ে আয়োজিত পৃথক পৃথক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে পুরষ্কার বিতরণ ও আলোচনা করবেন।

এ ব্যাপারে রাজু আহম্মেদ বলেন, ১৯৭১ সালের এ মাসে পাকিস্তানি শোষকদের বিরুদ্ধে তীব্র সংগ্রাম গড়ে তোলে বাঙালি জাতি। বাঙালির জীবনে ভাষা আন্দোলনের স্মারক মাস ফেব্রুয়ারির পর মার্চের গুরুত্ব অপরিসীম। আমাদের স্বাধীনতার জন্য চূড়ান্ত লড়াই শুরু হয় এ মার্চেই। এ মাসেই বাঙালি প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে। উত্তাল একাত্তরে পুরো মার্চ মাসজুড়ে বাঙালির চোখে ছিল স্বাধীনতার স্বপ্ন।

দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর বিশ্ব মানচিত্রে অভ্যুদয় ঘটেছিল বাংলাদেশ নামে স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণা হলেও চূড়ান্ত আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল একাত্তরের ১ মার্চ থেকেই।

তাই নরেন্দ্রপুর ইউনিয়নবাসী ও আমাদের কোমলমতি শিশুদের কাছে সঠিক ইতিহাস তুলে ধরার জন্য আজ হতে এই আয়োজন শুরু করা হয়েছে।

এসময় উক্ত আলোচনা সভায় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন নরেন্দ্রপুরের নিজ নিজ এলাকার ইউপি সদস্য ও মহিলা সদস্যবৃন্দ, স্থানীয় বিদ্যালয় গুলোর প্রধান শিক্ষক ও শিক্ষিকাবৃন্দ, সকল ওয়ার্ডের দায়িত্বপ্রাপ্ত রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতা-কর্মী সহ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.