রাণীশংকৈল প্রতিনিধি ॥
ঠাকুরগাও জেলার আদর্শ উপজেলা রাণীশংকৈল। এ উপজেলার মানুষ অত্যন্ত শান্তিপ্রিয় ও আইনের প্রতি শ্রদ্বাশীল। এ কারণেই রাণীশংকৈল থানায় এ এস আই, এস আই’রা একবার এ উপজেলার মানুষের নীতি বুঝতে পেরে তাদের দূর্বলতার সুযোগ নিয়ে আইনের নামে বিভিন্ন অভিযোগের বিভিন্ন মামলা মোকদ্দমার ভয় দেখিয়ে বুনে যাচ্ছেন আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ। এ ধরনের অনেক পূর্ব পরিচিত এ এস আই ও এস আই বিভিন্ন জায়গায় বদলি নিলেও কিছুদিন পরেই চলে আসেন আবার রাণীশংকৈল থানায়। এ এস আই হায়দার আলী এদের মধ্যে একজন। একটি বিশ্বস্ত সুত্রে জানা যায়, এ এস আই হায়দার রাণীশংকৈল থানায় আসেন গত ২০১২ সালের দিকে এরপর তার একবার র‌্যাব বাহিনীতে বদলী হয়। সম্প্রতি বালিয়াডাঙ্গী থানায় হলেও অজ্ঞাত কারণে তিনি রাণীশংকৈল থানায় অবস্থান করছেন। বদলী না নেওয়ার কারণ খুজতে গিয়ে দেখা যায় তিনি এ এলাকায় পুলিশী রাজত্ব কায়েম করে চলেছেন। যে কোন অভিযোগ তার পরিচিত দালালরা তাকে এনে দেয় তিনি তৈল খরচ ও বিচার করে দেওয়ার আশ্বাসে নেন মোটা অংকের উৎকোচ। করে দেন প্রহসনের বিচার এছাড়াও তিনি এখানে মোটর যান ব্যবসায় রয়েছেন তার একটি ১৮ সিটের সাদা কালারের ঢাকা মেট্রো চ ০২-৩৫৪৮ নাম্বারের মাইক্রোবাস রয়েছে। মাইক্রোবাসটি থানার হায়দার দারোগার নামে চলে । অত্র থানায় দির্ঘদিন থেকে থাকার কারনে বেপরোয় হয়ে উঠেছে। তিনি স্থানীয় কোন জনপ্রতিনিধি সচেতন মহল কাউকে তোয়াক্কা করেন না। এরপর তিনি এ থানায় ওয়াকবিহাল।
অপরদিকে ডিএসবি আলম তার স্ত্রীর নামে দুইটি অটো চার্জার কিনে চালাচ্ছেন রমরমা ব্যবসা। এলাকার মাদক সেবীদের সাথে সখ্যতা। তাদের কাছ থেকে টোল আদায়। মাসোয়ারা আদায় করে কোন কোন বড় বাবুকে ম্যানেজ করে চলে। মাস দুয়েক আগে তার অপকর্মের সংবাদ পত্রিকায় প্রকাশ হওয়ার পর হরিপুর থানায় বদলী হয়। অজ্ঞাত কারনে এক দেড় মাসের ভিতর আবার সে রাণীশংকৈল থানায় বদলী হয়ে আসে ২৩ ডিসেম্বর। সে সাড়ে ৫ বছর থেকে রাণীশংকৈল থানায় কর্মরত থাকলেও আজ অবধি সে কোন উল্লেখযোগ্য কাজের স্বাক্ষর রাখতে পারেনি। মাদক চক্রের সাথে সখ্যতা থাকায় কোন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা বা মাদক দ্রব্য আটকের কোন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেনি। এলাকায় তার বিভিন্ন ধরনের ব্যবসা থাকায় মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে জোর তদবির করে সে আবার রাণীশংকৈল থানায় বদলী হয়ে এসেছে।
রাণীশংকৈলে সচেতন মহলের প্রশ্ন তাদের খুটির জোর কোথায় ? সুধীমহলের প্রশ্ন রাণীশংকৈলে কি এমন মোহ রয়েছে যাতে করে পুলিশের লোকজন একবার এখানে আসলে আর বদলী হয়ে যেতে চায়না।
ডিএসবি আলম জানান, অটো চার্জার দু’টো আমার স্ত্রীর নামে কেনা আছে। ওগুলো আমার না।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।