রানীশংকৈল সংবাদদাতা ঃ
ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈল উপজেলায় রস্ক প্রকল্প ফেইজ-২ আনন্দ স্কুলের টাকা হরিলুট হওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
জানাযায়, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে ঝড়ে পড়া রোধ শিক্ষার্থীদের জন্য রানীশংকৈল উপজেলায় ১২৫ টি আনন্দ স্কলের জন্য শিক্ষার্থী প্রতি ১২০ থেকে ১৮০ টাকা শিক্ষা উপকরণ ও পোষাক ক্রয় বাবদ ৪০০ টাকা করে বরাদ্দ দেওয়া হয়। বরাদ্দকৃত অর্থ সংশ্লিষ্ঠ্য বিদ্যালয়ের এসএমসি কমিটির নামে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর বিল প্রেরণ করেন। কিন্তু উপজেলা ট্রেনিং কো অডিনেটর শিক্ষকদের নিকট চাকুরি হারানোর ভয় দেখিয়ে শিক্ষা উপকরণ ও পোষাক ক্রয়ের চেক হাতিয়ে নেয়। এ প্রসঙ্গে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক (চাকুরি হারানোর ভয়ে) কয়েক জন শিক্ষক বলেন, উপজেলা হল রুমে সভা ডেকে ইউএনও স্যার, শিক্ষা কর্মকর্তা এবং টিসি শিক্ষা উপকরণ ও পোষাকের টাকার চেক নিয়ে টাকা উত্তোলন করে নিম্ন মানের পোষাক দিয়ে প্রায় ৮ লক্ষ্য টাকা ভাগ বাটোয়ারা করে নিয়েছে। এ প্রসঙ্গে গত ২১ সেপ্টেম্বর ট্রেনিং কো অডিনেটর সাইফুল ইসলাম প্রমানিকের সাথে কথা বললে তিনি জানান, এবার আমরা ৯ সদস্য বিশিষ্ঠ্য পোষাক ক্রয় কমিটি তৈরি করে ১২২ টি বিদ্যালয়ে ২৭শত শিক্ষাথীর মাঝে পোষাক বিতরণ করেছি। পোষাক ক্রয় করার বৈধ্যতা আছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাব না দিয়ে তিনি পোষাক ক্রয় কমিটির সভাপতি ইউএনও সাহেবের সাথে কথা বলতে বলেন। কমিটির সদস্য প্রধান শিক্ষক মমতাজ বেগম মিরা বলেন, আমি কমিটির সদস্য এটা শুনেছি তবে এ কমিটির কি কাজ তা আমার জানা নেই এবং পোষাক দিয়েছে কিনা তা ও জানিনা। অনিয়মের সাথে অভিযুক্ত উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা জামাল উদ্দীন চৌধুরী বলেন নীতিমালা সম্পর্কে আমার জানা নেই তবে এ বিষয়টি টিসি সবচেয়ে বেশি ভাল বলতে পারবে। আপনি তার সাথে দেখা করেন। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা খন্দকার মোঃ নাহিদ হাসানের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, গত বারের চেয়ে এবার আমরা ভাল পোষাক দিয়েেিছ। ক্রয় করার নীতি মালা প্রসঙ্গে তিনি বলেন এরকম কোন নীতিমালা নেই তবে তদারকি করার এখতিয়ার আছে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।