রাণীশংকৈল প্রতিনিধি

ঠাাকুরগাওয়ের হরিপুর উপজেলার বটতলী এলাকার আঃ রহমানের দ্বিতীয় ছেলে রিয়াজুল কুমড়া বীজ সংগ্রহের কাজ শুরু করেছেন। তিনি বেশ কয়েক বছর ধরে বিভিন্ন প্রজাতির শব্জির বীজ উৎপাদন করে কৃষি অধিদপ্তর মন্ত্রণালয় সহ এলাকায় বেশ সাড়া জাগিয়েছেন। ইতমধ্যে তিনি সরকারিভাবে পুরস্কারে ভুষিত হয়েছেন। তিনি ১২ বিঘা জমি বর্গা নিয়ে মিষ্টি কুমড়া বীজ উৎপাদন কার্যক্রম হাতে নিয়েছিলেন। এতে লাভের আশা করছেন তিনি।

মিষ্টি কুমড়া, লাউ, আলু, লালশাক, পেঁয়াজ, মুলা, করলাসহ বিভিন্ন জাতের বীজ উৎপাদন করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন অবহেলিত জনপদের মানুষকে। নজরে পড়েছেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের। ভাল মানের বীজ উৎপাদন করে কৃষক উপকৃত হচ্ছেন। ভেজাল ও নি¤œমানের বীজ ক্রয় করে ঠকতে হচ্ছে না কৃষককে।

জেলার সীমান্তবর্তী এলাকা হরিপুর। জেলা শহর থেকে ৬৫ কিঃমিঃ দুরের পথ। অনেকটায় অবহেলিত জনপদ। শিক্ষার আলো এলাকায় বিস্তার করতে পারেনি আজো। ২০০০ সাল থেকে অনের জমি বন্ধক নিয়ে শুরু করেন লাউ, পেয়াজ, লালশাক, করলাসহ নানা জাতের বীজ উৎপাদন মিশন হাতে নেন। বীজ উৎপাদন করে বীজ সংগ্রহকারী প্রতিষ্ঠানের কাছে তা বিক্রী করে আসছেন।

কৃষক রিয়াজুল বলেন, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মাহবুব আলম সহযোগিতায় বীজ উৎপাদনে বেশ সফলতা পেয়েছি। উপজেলা বীজ সংরক্ষণের কোন ব্যবস্থা থাকলে আরো উৎসাহের সাথে কাজ করতে পারতাম। মিষ্টি কুমড়ার বীজ সংরগ্রহ শুরু করেছি। এলাকার কৃষক কম দামে ভাল মানের বীজ কিনে উপকৃত হবেন। বীজ সংরক্ষণের ব্যবাপারে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেয়ার আহবান জানিয়ে তিনি সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।

হরিপুর উপজেলা কৃষিকর্মকর্তা নয়মুল হুদা সরকার বলেন, কৃষক রিয়াজুলের বীজ ক্ষেত আমরা খোজ খবর রাখি সার্বক্ষনিকভাবে। বীজ সংরক্ষণের ব্যবস্থা না থাকায় তিনাকে বীজ বাইরে বিক্রী করতে হয়। রিয়াজুল ইসলামকে সার্বিক সহযোগিতা করে থাকি। এ সফলতা হরিপুর উপজেলা তথা ঠাকুরগাওয়ের বলেও তিনি আত্ম প্রকাশ করেণ।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।