কাষ্টমস হাউসে চলছে ঘুষ বানিজ্য।কাষ্টমস হাউসের ইন্ধনে চেকপোষ্টে অব্যাহত রয়েছে ঘুষ ও যাত্রী হয়রানী।

আশানুর রহমান আশা — বেনাপোল,,
বেনাপোল কাষ্টমস হাউসের ইন্ধনে চেকপোষ্ট কাষ্টমস মেতে উঠেছে ঘুষ বানিজ্যে। ভারত থেকে আগত বৈধ পাসপোর্ট যাত্রিদের চেকপোষ্ট কাষ্টমস করছে নাজেহাল ও হয়রানী।যে সব যাত্রি তাদের চাহিদামত উৎকোচ দিতে ব্যর্থ হচ্ছে সেসব যাত্রিদের ব্যাগ এন্ড ব্যাগেজ তছনছ করে ছড়িয়ে ছিটে দিচ্ছে এবং আটকে রেখে ঘন্টার পর ঘন্টা হয়রানী করা হচ্ছে। ব্যাগেজ রুল তোয়াক্কা না করেই চেকপোষ্ট কাস্টমস যাত্রিদের নানা ভাবে হয়রানী করছে।ল্যাগেজ আসা অব্যাহত রয়েছ।সন্ধার সময় বিশেষ করে ল্যাগেজ ব্যাগ পার করা হচ্ছে।ল্যাগেজ বা ব্যাগ প্রতি নেয়া হচ্ছে ২০/২৫/৩০ হাজার টাকা।যার ফলে সরকার হারাচ্ছে প্রতি বছর কোটি কোটি টাক রাজস্ব। গত ১ মার্চে ভারতীয় পাসপোট যাত্রি শ্যামলী হালদার নং টি ৮৬১৫৭৪০ দেশে আসার সময় তার কাছে থাকা ৮ জোড়া সান্ডেল,৩ টি কম্বল, ও ৩ টি শাড়িতে কাষ্টমস কর্তা ৬ হাজার টাকা ঘুষ চায়। ওই যাত্রি দিতে না পারায় তার পণ্যগুলো ডিমএম করে কিন্ত ওই যাত্রি অভিযোগ করে বলেন আমার ৩ টি শাড়ি না দিয়েই ডিএম করেছে।তারা আমার ওই শাড়িগুলো ফেরত দেয়নি। এমনকি বাংলাদেশী মেডিকেল যাত্রিদেরকেউও তারা ছাড় দিচ্ছে না টাকা না হলে।গত কদিন আগে এক মেডিকেল মহিলা যাত্রির কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা দাবি করে কাষ্টমসের কর্তারা। সেই মহিলার ভিডিও ফুটেজে তার আহাজারী কান্নায় এলাকা প্রকম্পিত হয়ে যায়।এভাবে চলছে চেকপোষ্ট কাষ্টম।
অপরদিকে কাষ্টমস হাউজে কোন পণ্যসামগ্রী বিলঅবএন্ট্রির ফাইল টাকা ছাড়া ছাড় হয়না। এ রেওয়াজ দীর্ঘদিনের। কিছু ব্যাবসায়ী দালাল সাংবাদিকের সমন্নয়ে কাষ্টমস হাউসের কর্তারা ফাইল ছাড়ের বিষয়টি দীর্ঘদিন থেকে করে আসছে।ফলে শুল্কফাঁকিতে সরকার হারাচ্ছে প্রতিবছর কোটি কোটি টাকার রাজস্ব।রাতের আধারে কোটিপতি বনে যাওয়া তাদের সম্পদের তদন্ত করলে আসল রহস্য উন্মোচিত হবে অচিরেই।শুল্ক ফাঁকির ঘটনা বোনাপোল কাষ্টমসে দীর্ঘদিনের।এ ব্যাপারে হাউসের কমিশনারকে ফোন করলে তিনি ফোন রিসিপ করেননি। এ বিষয়ে বেনাপোল কয়েকটি সি এন্ড এফ এজেন্টকে জিজ্ঞাসা করলে ঘুষের রেওয়াজটি দীর্ঘদিনের বলে স্বিকার করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.