খালিদ আহমেদ রাজা (রংপুর)
লালমনিরহাটের হাতিবান্ধা উপজেলার, ৪নং টংভাঙ্গা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আতিয়ার রহমান আতি সরকারি ঘর দেওয়ার নামে হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। নয় সদস্যের পরিবার মমিনা বেগমের, স্বামী মোঃ মমিনুর, পাঁচ মেয়ে ও দুই ছেলে। এ যেনো নুন আনতে পানতা ফুরায়, একটি টিনের ভাঙ্গা ঘরে সবার বসবাস। দরকার দুইটি থাকার ঘর, দুই বছর আগে সরকারি দুইটি ঘর বাবদ মমিনা বেগমের কাছ থেকে টংভাঙ্গা ইউপি চেয়ারম্যান নগদ ২০,০০০ টাকা একই সাথে সবুজ ২,০০০ টাকা ও তুফান ১০,০০০ টাকা মোট ৩২,০০০ টাকা নেন।
ভুক্তভোগী মমিনা বেগম জানান: আমি ৩২,০০০ হাজার টাকা সুদের পর এনে চেয়ারম্যান সহ তার দুই কর্মচারীকে দেই, কিন্তু দুই বছর পার হলেও ঘর’তো দুরের কথা টাকা পর্যন্ত ফেরত দেননী আমাকে। আমার পাঁচটা মেয়ে ও দুইটা ছেলে, বড় মেয়ে অনেক দিন যাবত অসুস্থ (পেটে পাথর) বর্তমানে রংপুরের একটি বেসরকারি মেডিকেলে আছে। মেয়ের চিকিৎসার জন্য অনেক টাকা দরকার। যেহেতু আমি ঘুস দিয়েও সরকারি ঘর পাইতেছি না, তাই গত রবিবার (২১ জুন) আমার মেয়ের চিকিৎসার জন্য আমার মোট ৩২,০০০ হাজার টাকা চেয়ারম্যানের কাছ থেকে টাকা ফেরত চইতে গেলে আমায় গালাগালি, জেল এ ঢুকানো ভয়ভীতি ও মৃত্যুর হুমকি সহ খুব মারধর করে।
তিনি আরও জানান: আমার বুকে ও পিঠে খুব আঘাত করে চেয়ারম্যান সহ তার কর্মচারীরা। পরে ভুক্তভোগী মমিনা বেগমকে এলাকার স্থানীয়রা একটি স্থানীয় হাঁসপাতালে ভর্তি করিয়ে দেন। হাঁসপাতালে তিন দিন থাকার পর বর্তমানে বাসায় অসুস্থ হয়ে পড়ে আছেন। এলাকাবাসী বিষয়টি খুব নিন্দা জানায়! উল্লেখ যে চেয়ারম্যান খুব ক্ষমতাশালী হাওয়ার কারনে কেউ কিছু বলতে সাহস পায় না।
