ভুরুঙ্গামারী(কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ
ভুরুঙ্গামারীতে ধর্ষনের ৩ দিন পরেও রহস্যজনক কারনে ধর্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী।
জানাগেছে উপজেলার শিলখুড়ি ইউনিয়নের এক প্রতিবন্ধী মেয়ে(২২) গত ২৬ মে সকাল সাড়ে ছ’টার সময় উপজেলা সদর হাসপাতালের গেটে আসার পর মোস্তফা ইশরারা করে তার দোকানের ভিতর ডেকে নিয়ে ঘরের দরজা আটকিয়ে জোর পুর্বক ধর্ষণ করে ময়েটিকে দোকান থেকে বের করে দেয়।
এলাকাবাসী মোস্তফাকে এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করলে মোস্তফা দোকান বন্ধ করে পালিয়ে যায়। ধর্ষক মোস্তফা সদর ইউনিয়নের গোপালপুর গ্রামের জনৈক মজিবর রহমানের পুত্র। পরে এলাকাবাসী ধর্ষিতাকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে জরুরী বিভাগে ভর্তির পর আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার এ,এস,এম আবু সায়েম ধর্ষিতার পরীক্ষার জন্য কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে রেফার্ড করলেও অভিভাবকের অনুপস্থিতির কারনে মেয়েটি হাসপাতালে রয়ে যায়। থানা পুলিশ ধর্ষণের খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। এ ব্যাপারে অফিসার ইনচার্জ তাপস চন্দ্র পন্ডিত জানান,মেয়েটি প্রতিবন্ধী এবং তার অভিভাবকেরা মামলা করতে রাজি না হওয়ায় থানায় মামলা হয়নি।
