রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাও) সংবাদদাতা ঃ
ঘাপলা আর দূর্ণীতির মহানায়ক হয়ে উঠেছেন ঠাকুরগাওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কার্যালয়ের অফিস সুপার মোঃ রফিকুল আলম। ঘাপলা আর দূর্ণীতি করে তিনি আঙুল ফুলে কলা গাছ হয়েছেন। উপজেলার ইউপি চেয়ারম্যান সহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের ক্ষমতাকে খর্ব করে কৌশলে নিজের আয়ত্বে নিয়েছেন। সংশ্লিষ্ট কর্তাবাবুকে হাতে করে দূর্ণীতি সহ নানা অপরাধ মুলক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন । ইউনিয়ন পরিষদের উন্নয়ন মূলক কার্যক্রমকে নিজের আয়ত্বে নিয়ে লোক দেখানো কাজ করে হাতিয়ে নিচ্ছেন লক্ষ লক্ষ টাকা। উপজেলা আবাসিক এলাকার প্রাচীর নির্মান, আদিবাসিদের কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ভবন নির্মান, উপজেলার প্রতিটি গুচ্ছ গ্রামের প্রয়োজনীয় সামগ্রী নির্মানের কাজে তদারকি করে লক্ষ লক্ষ টাকার দূর্ণীতি করেছেন। এসব নির্মান কাজে ব্যবহার করা হয়েছে নিম্ন মানের ইমারত সামগ্রী। চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের ডেলেবারের কাজ করান হয়েছে সীমানা প্রাচীর ও গেষ্ট রুম নির্মান কাজে। বিনিময়ে শ্রমিকের মজুরী হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। আদিবাসিদের বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ডে সংশ্লিষ্ট নেতাদের ম্যানেজ করে ব্যাপক দূর্ণীতি করা হয়েছে। কাতিহার হাটে মাটি ভরাটের ১ লক্ষ টাকার কাজে অর্ধ লক্ষাধিক টাকার দূর্ণীতি করেছে। এ ছাড়াও ওএস রফিক অবৈধ উপায়ে টাকা উপার্জন করে উপজেলার সন্ধ্যারই গ্রামে এমএইচ ব্রিক্স’র ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। সেখানে নদীর ভারসাম্য আর পরিবেশ নষ্ট করে অবৈধ উপায়ে ড্রেজিংএর মাধ্যমে বালু উত্তোলন করে ইট নির্মান কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। পর্দার আড়ালে থেকে চালিয়ে যাচ্ছেন ঠিকাদারি ব্যবসা। ঢাকা গাজিপুরে তার খালুর সাথে করোটিয়া প্রাইভেট লিমিটেড (উইন্ডো গ্রুপ) নামে গার্মেন্টস ব্যবসা রয়েছে। তার গ্রামের বাড়ি পঞ্জগড় জেলার ভুল্লি বাজারে রাস্তার নয়ন জলিতে নির্মান করা হয়েছে দোকান পাট। বিগত তত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ওই সব অবৈধ দোকানপাট ভেঙে ফেলা হয়। ক্ষমতার অপব্যবহার করে তা পূণঃনির্মান করা হয়েছে। রাণীশংকৈল উপজেলা থেকে তাকে বদলী করা হলে অজ্ঞাত কারনে হাতে গনা কয়েক দিনের মধ্যে পুনরায় পূর্বের কর্মস্থলে ফিরে আসেন।
এ ব্যাপারে অফিস সুপাার রফিকুল আলম অভিযোগের বিষয়গুলো এড়িয়ে গিয়ে বলেন আমি কেন ব্যবসা করব।
এলাকার সুধিমহল জোর দাবি করেন সরজমিন তদন্তে ওএস রফিকুল আলমের সকল অপরাধ দূর্ণীতির সত্যতার যথেষ্ট প্রমান মিলবে।
