হিন্দু ভোটাররা নির্ভয়ে ভোট দেবেন : মির্জা ফখরুল স্বাধীনতাবিরোধীদের হাতে দেশ নিরাপদ নয় সার সংকটের জন্য ইউনুস সরকারের লোকেরা দায়ীহিন্দু ভোটাররা নির্ভয়ে ভোট দেবেন : মির্জা ফখরুল স্বাধীনতাবিরোধীদের হাতে দেশ নিরাপদ নয় সার সংকটের জন্য ইউনুস সরকারের লোকেরা দায়ী

নুরে আলম শাহ, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি ॥
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, হিন্দু ভোটাররা নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে যাবেন এবং যাকে খুশি তাকে ভোট দেবেন। স্বাধীনতাবিরোধীদের হাতে এদেশ কখনোই নিরাপদ নয়। সার সংকটের জন্য ইউনুস সরকারের লোকেরাই দায়ী।
রোববার ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার সালন্দর ইউনিয়নের বরুনাগাঁও মাদ্রাসা মাঠ, ফারাবাড়ি চেরাডাঙ্গী মাঠ, গড়েয়া ইসকন মন্দির এবং সালন্দর ইউনিয়নের চৌধুরিহাট সরকারি কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত একাধিক নির্বাচনী পথসভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, অতীতে হিন্দু ভোটারদের নিয়ে নোংরা রাজনীতি করা হয়েছে। আপনারা যাদের ভোট দিয়েছেন, তারা জিতলেও আপনারা মার খান, হারলেও মার খান—সব সময় আপনাদের ব্যবহার করা হয়েছে। আমরা ক্ষমতায় যেতে চাই আপনাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে আপনারা শান্তিতে বসবাস করবেন।
হিন্দু ও অন্যান্য সম্প্রদায়ের মানুষদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আমরা সবাই বাংলাদেশের মানুষ—এখানে কেউ সংখ্যাগরিষ্ঠ নয়, কেউ সংখ্যালঘু নয়। আমরা সব সময় আপনাদের পাশে আছি। আপনাদের নিরাপত্তার দায়িত্ব আমাদের।
জামায়াতে ইসলামীর প্রতি ইঙ্গিত করে বিএনপির এই শীর্ষ নেতা বলেন, আজ তারা মানুষের কাছে ভোট চাইছে। অথচ তারা স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি। স্বাধীনতাবিরোধীদের হাতে বাংলাদেশ কখনোই নিরাপদ হতে পারে না।
তিনি আরও বলেন, আমরা কখনো আপনাদের বিক্রি করে সম্পদের মালিক হইনি। রাজনীতি করে সম্পদ বানাইনি। বাপ-দাদার দেওয়া জমিজমা বিক্রি করে রাজনীতি করেছি।
নিজের রাজনৈতিক জীবনের ত্যাগের কথা তুলে ধরে মির্জা ফখরুল বলেন, আমি ১৯৯১ সাল থেকে এই এলাকায় রাজনীতি করছি। বহুবার জেলে গেছি। একবার ঢাকায় আমার বাসা থেকে পুলিশ আমাকে ধরে নিয়ে যায়। সে সময় আমার স্ত্রী গুরুতর অসুস্থ ছিলেন, অপারেশনের প্রয়োজন ছিল। তবুও আমাকে মুক্তি দেওয়া হয়নি। জেলে থাকা অবস্থায় আমার স্ত্রীর অপারেশন হয়। সে সময় স্ত্রী-সন্তানদের পাশে থাকতে পারিনি। অনেক অত্যাচার ও নির্যাতন সহ্য করেছি, কিন্তু কখনো মাথা নত করিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো পড়ুন