Oplus_16908288

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:
বাংলাদেশের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ (এনডিসি) আয়োজিত তিন সপ্তাহব্যাপী ‘ক্যাপস্টোন কোর্স-২০২৬/২’ সফলভাবে সম্পন্ন করেছেন কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীর কৃতি সন্তান ও ম্যাক্রো পেপার প্রোডাক্টস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফজলুল হক।

গত বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট ২০২৬) রাজধানীর মিরপুর সেনানিবাসে অবস্থিত ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজে অনুষ্ঠিত হয় কোর্সটির সমাপনী অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। তিনি কোর্সে অংশগ্রহণকারী ফেলোদের হাতে সনদপত্র তুলে দেন। এ সময় তাঁর হাত থেকে সনদ গ্রহণ করেন মো. ফজলুল হক।

এবারের ক্যাপস্টোন কোর্সে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও পেশাজীবী ক্ষেত্রের মোট ৩৯ জন ফেলো অংশগ্রহণ করেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন সংসদ সদস্য, জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তা, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, জ্যেষ্ঠ চিকিৎসক, সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, কূটনীতিক এবং দেশের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা।

দেশের নীতিনির্ধারণ, জাতীয় নিরাপত্তা, অর্থনীতি, কূটনীতি, নেতৃত্ব ও সমসাময়িক বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও জাতীয় স্বার্থভিত্তিক নেতৃত্বের সক্ষমতা বৃদ্ধিই এ ধরনের কোর্সের অন্যতম উদ্দেশ্য।

কোর্সটি সফলভাবে সম্পন্ন করে সনদ অর্জনের পর নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে মো. ফজলুল হক বলেন, “আমি মনে করি, অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা ও কর্মসংস্থান—এই ছয়টি বিষয়ে আমাদের ভূমিকা রাখা প্রয়োজন। পাশাপাশি দেশপ্রেম ও দেশের প্রতি ভালোবাসাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। সবার আগে বাংলাদেশ।”

ভূরুঙ্গামারীর সন্তান মো. ফজলুল হকের এই অর্জনে স্থানীয়ভাবে আনন্দ ও গর্বের অনুভূতি তৈরি হয়েছে। ব্যবসায়িক অঙ্গনে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে এমন একটি মর্যাদাপূর্ণ কোর্সে অংশগ্রহণ ও সফলভাবে সম্পন্ন করাকে তাঁর পেশাগত জীবনের উল্লেখযোগ্য অর্জন হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, দেশের অর্থনীতি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বেসরকারি খাতের ভূমিকা আরও জোরদার করার পাশাপাশি জাতীয় উন্নয়ন ও জনকল্যাণে মো. ফজলুল হকের অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্ব ভবিষ্যতেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

ভূরুঙ্গামারীর কৃতি সন্তান হিসেবে তাঁর এ অর্জন শুধু ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং নিজ এলাকার জন্যও একটি গর্বের বিষয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো পড়ুন