সাইফুল আলম দুলাল,স্টাফ রিপোর্টারঃ
নেত্রকোণা কেন্দুয়ায় বিয়ের ফাঁদে ফেলে তিন নারীকে চীনে পাচারের চেষ্টাকালে নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় চীনা নাগরিকসহ দুই নারী পাচাকারীকে গ্রেফতার করেছে কেন্দুয়া থানা পুলিশ।
গতকাল ১৪ সেপ্টেম্বর রবিবার দিবাগত রাতে কেন্দুয়া পৌর সদরের সলফ কমলপুর গ্রামের রুবেল মিয়ার বাড়ি থেকে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ সুত্রে জানা যায়, রবিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত দশটার দিকে সলফ কমলপুর গ্রামের রুবেল মিয়ার বাড়িতে একটি প্রাইভেটকারে একজন চীনা নাগরিক ও অপরজন বাংলাদেশী নাগরিকসহ স্থানীয় বাসিন্দা রুবেল মিয়ার গ্রার্মেন্টসকর্মী কন্যা, তার খালাতো বোন ও তার বান্ধবী জামালপুরের এক কিশোরী কন্যা আসে।
পরিবারের লোকজনের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে তারা চীন চলে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়িতে আসে। চীনা নাগরিকের সাথে রুবেল মিয়ার কন্যার বিবাহ হয়েছে বলে জানতে পেরে পরিবার ও স্থানীয়দের সন্দেহের সৃষ্টি হয়।
স্থানীয়রা কেন্দুয়া থানা পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করলে তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে তিন কিশোরী, এক চীনা নাগরিকসহ এক বাংলাদেশীকে সেখানে দেখতে পায়। প্রাথমিকভাবে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে সন্দেহ হলে বাড়ির মালিক রুবেলের হেফাজতে তিন কিশোরীকে রেখে চীনা নাগরিক লি ওয়েইহাও এবং অপরজন বাংলাদেশী নাগরিক কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাটের আঃ হানিফ মিয়ার ছেলে মোঃ ফরিদুল ইসলাম (৩৫) কে আটক করে ভোররাত চারটার দিকে প্রাইভেটকারসহ কেন্দুয়া থানা নিয়ে আসেন।
ভুক্তভোগী কিশোরীরা জানায়, তারা ঢাকা মালেকের বাড়ীতে গ্রার্মেন্টসে চাকুরী করে। সেখান থেকে আরও দুই বান্ধবী এভাবে বিয়ে করে কিছুদিন আগে চীন চলে গেছে। সেখান থেকে তাদের সাথে কথাও হয়েছে। তাই তারাও পাসপোর্ট করে এভাবে বিয়ে করে তারা চীন চলে যাবে।
এ বিষয়ে কেন্দুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মিজানুর রহমান জানান, খবর পেয়ে সলফ কমলপুর থেকে একজন চীনা নাগরিক ও একজন বাংলাদেশী নারীপাচারকারীকে আটক করা হয়, পরবর্তী বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
