ভূরুঙ্গামারী(কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি
ভুরুঙ্গামারীতে প্রথম ৭২ ঘন্টার মধ্যে শিশু কন্যাকে ধর্ষণের চেষ্টায় আসামী গ্রেফতার, বিজ্ঞ আদালতে ভিক্টিমের জবানবন্দি গ্রহন এবং অভিযুক্ত আসামীর বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেছে ভুরুঙ্গামারী থানা পুলিশ। জানা গেছে।, গত ২৩ মার্চ ২০২৫ ইং তারিখে দুপুর আনুমানিক ১টার সময় উত্তর ভরতের ছড়া গ্রামে জনৈক নুর ইসলামের বাড়ির সামনে জমিতে ৮ বছরের এক শিশুকন্যা ঘাস কাটতে গেলে একই গ্রামের মোহাম্মদ আলীর পুত্র সাঈম (৫২) তাকে কৌশলে নির্জন স্থানে নিয়ে যায়। ঘাস কাটার শিক্ষা দেওয়ার ভান করে শিশুটিকে কোলে নিয়ে স্পর্শকাতর জায়গায় স্পর্শ করতে থাকে এবং কোলে বসিয়ে পিছন থেকে পরনের পায়জামা খুলে ধর্ষণের চেষ্টা করে । শিশুটি নিজেকে ছাড়ানোর ব্যর্থ চেষ্টা করে এবং একপর্যায়ে চিৎকার দিলে গ্রামবাসী এগিয়ে আসায় সাঈম পালিয়ে যায়। গ্রামবাসী এসে শিশুটিকে উদ্ধারকালে শিশুটির জামা ছেঁড়া অবস্থায় পায়া। ভুক্তভোগী শিশুর মুখে বিস্তারিত শোনার পর এলাকাবাসী ক্ষোভে ফেটে পড়ে। পরের দিন ২৪ মার্চ সোমবার
ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে ভূরুঙ্গামারী থানায় মামলা রুজু করলে কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মোঃ মাহফুজুর রহমানের সার্বিক দিকনির্দেশনায় ভুরুঙ্গামারী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ মাসুদ রানার সার্বিক তত্ত্বাবধানে ভূরুঙ্গামারী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আল-হেলাল মাহমুদের নেতৃত্বে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মোঃ হারুনুর রশিদের সঙ্গী ফোর্স মামলা রুজুর পর তাৎক্ষণিক আসামী সাঈমকে গ্রেফতার করে বিজ্ঞ আদালতে ভিক্টিমের জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করে তদন্ত সংক্রান্ত অন্যান্য কার্যক্রম যথাযথ ভাবে সম্পন্ন করে ৭২ ঘন্টার মধ্যে আসামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ পত্র দাখিল করেন।
এ বিষয়ে ভূরুঙ্গামারী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আল-হেলাল মাহমুদ বলেন, “পুলিশ সুপার (কুড়িগ্রাম) মহোদয়ের সার্বিক তদারকিতে নারী ও শিশুদের প্রতি যেকোনো ধরনের সহিংসতা, নির্যাতন ও ধর্ষণ প্রতিরোধে ভূরুঙ্গামারী থানা পুলিশ সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে।এই মামলার যাবতীয় কার্যক্রম ৭২ ঘন্টার মধ্যে সম্পন্ন করে আদালতে অভিযোগ পত্র প্রেরণ করা হয়েছে। সারাদেশে শিশু ধর্ষণ সংক্রান্ত মামলা দ্রুত সম্পন্ন করে আদালতে অভিযোগ পত্র প্রেরণ করলে এ সংক্রান্ত অপরাধ দ্রুত কমবে বলে মতামত ব্যক্ত করেন।
