চিরিরবন্দর ফুলপুর কুতুব ডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জেলার শ্রেষ্ঠ নির্বাচিত

মোহাম্মাদ মানিক হোসেন চিরিরবন্দর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি ঃ
চিরিরবন্দর ফুলপুর কুতুব ডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় দিনাজপুর জেলার শ্রেষ্ঠ প্রাথমিক বিদ্যালয় নির্বাচিত হয়েছে। দিনাজপুর জেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষক/শিক্ষিকা, বিদ্যালয়, ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান, কর্মকর্তা ও কর্মচারী বাছাই কমিটি যাচাই-বাছাই শেষে ফুলপুর কুতুব ডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে দিনাজপুর জেলার শ্রেষ্ঠ প্রাথমিক বিদ্যালয় হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
বিদ্যালয়ের সামগ্রিক কর্মকান্ড বিবেচনায় এবার (২০১৯) সালে জেলার চিরিরবন্দর উপজেলার অমরপুর ইউনিয়নের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টিকে জেলার শ্রেষ্ঠ প্রাথমিক বিদ্যালয় হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। মো. আনতাজ হোসেন প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ১৯৪৬ সালে চিরিরবন্দর অমরপুর ইউনিয়নের ফুলপুর কুতুব ডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। ২০১৮ সালের ২৬ শে মার্চ আনতাজ হোসেন প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব নেন।
যোগদানে পর পরই তিনি বিদ্যালয়টির সামগ্রিক পরিবেশের উন্নয়নসহ শিক্ষার মানোন্নয়নের দিকে মনোনিবেশ করেন। শিক্ষার্থীদের স্কুলমুখী করাসহ শিক্ষার্থীদের আনন্দময় পাঠদান নিশ্চিত করতে উদ্যোগী হন। এর স্বীকৃতি হিসেবে ২০১৮ সালেই আনতাজ হোসেন উপজেলা পর্যায়ের শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক নির্বাচিত হন। বর্তমানে স্কুলটিতে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৬৪৩ জন যা গত বছরের তুলনায় অনেক বেশী।
সরেজমিন বিদ্যালয়টি ঘুরে দেখা গেছে, সু-সজ্জিত শিক্ষাপোযোগি সুন্দর পরিবেশে বিদ্যালয়টিতে মোট ১০ জন শিক্ষক পাঠদান করছেন। শতভাগ শিশুই স্কুল ইউনিফর্ম পরিহিত। প্রতি মাসে নির্বাচন করা হয় ‘স্টুডেন্ট অব দ্যা মান্থ’। বিদ্যালয়টিতে স্থাপন করা হয়েছে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি গ্যালারি, মুক্তিযুদ্ধ কর্ণার, বঙ্গবন্ধু বুক কর্ণার, মহানুভবতার দেয়াল, সততা স্টোর ও শহীদ মিনার।
প্রধান শিক্ষক আনতাজ হোসেন বলেন, নানা প্রতিকূলতা অতিক্রম করে আমাদের বিদ্যালয়টি দিনাজপুর জেলার সেরা বিদ্যালয়ের স্বীকৃতি লাভ করেছে। নিঃসন্দেহে এটি আমাদের জন্য গর্বের ও আনন্দের বিষয়। এই স্বীকৃতি আমাদের কর্তব্য ও দায়িত্ববোধ আরো বাড়িয়ে দিয়েছে। মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে আগামী দিনেও আমাদের আন্তরিক প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *