ফারুক আহমেদ

আল-আলাম মিশনের সেমিনার হলে রবিবার ৩০ নভেম্বর ২০২৫ জি.ডি. মেরিট স্কলারশিপ প্রদান করা হল। উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ‘পতাকা’ ইন্ডাস্ট্রিজ-এর আধিকারিক জনাব সইদুল ইসলাম খান, জি.ডি অ্যাকাডেমির প্রতিনিধি জনাব আবদার রহমান।
‘পতাকা’ ইন্ডাস্ট্রিজের আধিকারিক জনাব সইদুল ইসলাম খান বলেন, ‘‘বাবর ছিলেন মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা কিন্তু আকবর ছিলেন মুঘল সাম্রাজ্যের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা। অর্থাৎ আকবরের আমলে মুঘল সাম্রাজ্যের সর্বোচ্চ উন্নতি হয়েছিল। ঠিক তেমনি মিশনের প্রতিষ্ঠাতা অনেকেই হতে পারেন, অনেকেই মিশন শুরু করেছেন। কিন্তু মোস্তাক হোসেন সাহেব মিশন সাম্রাজ্যকে বিস্তার লাভ করতে প্রকৃত ভূমিকা গ্রহণ করেন। ফলে মিশন আজকে একটা মহীরুহ হিসেবে দাঁড়িয়েছে। এই জন্য মোস্তাক হোসেনকে মিশন স্কুলের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা বলা হয়।’’

আল আলাম মিশনের ডাইরেক্টর জনাব হাফিজ মাহবুব মুর্শিদ, সহ-সম্পাদক জনাব আব্দুল বারী ও প্রধান শিক্ষক জনাব মোহাম্মদ আক্তার হোসেন। উক্ত অনুষ্ঠানে মিশনের ডাইরেক্টর জনাব মাহবুব মুর্শিদ তাঁর ভাষণে বলেন, শিক্ষা বিস্তারে জনাব মোস্তাক হোসেন সাহেব পাশে না দাঁড়ালে সমাজে অসহায় মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীরা আজ মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারত না। তাই জনাব মোস্তাক হোসেন সাহেবের অবদান অনস্বীকার্য। আমরা তাঁর দীর্ঘায়ু কামনা করি, মহান আল্লাহ তায়ালা তাঁকে সুস্থ রাখুন।

মুর্শিদাবাদ জেলার প্রাণকেন্দ্র বহরমপুর শহরে ‘মোস্তাক হোসেন ভবন’-এর কাজ সম্পূর্ণ হওয়ার পথে। মুর্শিদাবাদ জেলার শিক্ষার মানচিত্রে এক নতুন পালক সংযোজন ‘আল-আলাম মিশন’ যা আগামী দিন শিক্ষাক্ষেত্রে এক নতুন আলোকবর্তিকা বহন করে আনবে। মুর্শিদাবাদ জেলার ভূমিপুত্র মিশনারি শিক্ষা প্রসারিত করতে পথিকৃৎ জনাব আলহাজ্ব মোস্তাক হোসেন মহাশয়ের জি.ডি. চ্যারিটেবল সোসাইটির আর্থিক সহায়তায় ‘আল-আলাম মিশন’ বহরমপুর শাখা নবরূপ পেল। জেলাবাসী হিসেবে আমরা কৃতজ্ঞ, গর্বিত, আনন্দিত ও আপ্লুত। তাঁর এই স্বপ্নের মিশনে আগামী দিনে মুর্শিদাবাদ ও পার্শ্ববর্তী জেলার দুঃস্থ, গরিব ও মেধাবী ছাত্রছাত্রীরা যাতে উচ্চমাধ্যমিকে বিজ্ঞান নিয়ে পড়তে পারে, NEET (UG) কোচিং ও JEE কোচিং এবং WBCS কোচিং নিতে পারে তার জন্যই এই প্রয়াস বাস্তবায়ন করতে এগিয়ে এলেন সমাজকল্যাণের অগ্রনায়ক মোস্তাক হোসেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *