শফিকুল ইসলাম শফি,নাগেশ্বরী কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি :
চাকুরী নামের সোনার হরিনের পিছে না ছুটে নিজেকে স্বাবলম্বি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে গড়ে তুলছে গরুর খামার। অনান্য পেশা বা ব্যবসার চেয়ে মুনাফা বেশি হওয়ায় গরুর খামারেই ঝুকে পড়েছে কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার নেওয়াশী ইউনিয়নের সুখাতি বোর্ডঘর গ্রামের শহিদুল ইসলাম মুন্না। সে এখন এলাকায় বেকার যুবক যুবতীদের অনুপ্রেরনার উৎস। বেকার জীবন থেকে বেড়িয়ে আসতে নিজেকে সাবলম্বি করার লক্ষে নিজ বসতবাড়ীর আঙ্গিনায় গড়ে তুলেছে দেশি ও বিদেশি জাতের গরুর খামার । গড়ে তোলা খামারে দুদ্ধ উৎপাদনের জন্য গাভী ও মাংশ উৎপাদনের জন্য রয়েছে শাহীওয়াল জাতের বিদেশী ষাড়। পরিশ্রমী খামারী মুন্না। স্বল্প সময়ে দেখছে লাভের মুখ। সাফল্য দেখে বেকার যুবকরাও উৎসাহ পাচ্ছে গরুর খামার গড়ে তোলার। ছোট পরিসরে বাড়ীর উঠানে স্বল্প পুজিতে কয়েকটি দেশি জাতের বাচুর গরু ক্রয় করে নিজে শ্রম দিয়ে শুরু করছে গরুড় খামার। তবে ব্যবসাটি লাভজনক হওয়ায় সরকারী ভর্তুকি বা সুযোগ সুবিধা পেলে আরো ব্যাপক আকারে গরুর খামারের পাশাপাশি মুরগির খামার গড়ে তুলবে বলে জানায় খামারী মুন্না। নাগেশ্বরী উপজেলা প্রানীসম্পদ অধিদপ্তরের ভেটেরিনারি সার্জন ডা. আশিকুজ্জামান তার দ্বায়িত্বকে অবহেলা করলেও অন্যদিকে বেকার যুবকরা গরুখামার করে যাতে নিজের পায়ে দাড়াতে পারে সে লক্ষ্যে বিভিন্ন পরামর্শসহ সবসময় খামারীদের পাশে থাকবে বলে জানায় প্রানী সম্পদ সম্প্রসারন অফিসার কোকিল চন্দ্র বিশ্বাষ।
