
ঝালকাঠি প্রতিনিধি : জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসক মোঃ জোহর আলী আজ রোববার বিকাল ৪টায় সংবাদ সম্মেলন করেছেন। করোনা ভাইরাস জনিত সার্বিক পরিস্থিতি সাংবাদিকদেরকে অবহিত করা হয়। ঝালকাঠি জেলায় এ পর্যন্ত হোম কোয়ান্টাইনে ১৮৫ জন ছিল এবং গত দু দিনে নতুন কোন ব্যক্তিকে হোম কোয়ান্টাইনে রাখতে হয়নি। রবিবার পর্যন্ত ৮৪জন ১৪দিন হোম হোয়ান্টাইনে কাটিয়ে ছাড়পত্র নিয়ে বেড়িয়ে এসেছেন। ঝালকাঠি জেলায় কোভিড-১৯ চিকিৎসার জন্য একান্নটি বেড প্রস্তুত রাখা হয়েছে এবং ৬৫ জন ডাক্তার ও ১২৮জন নার্স চিকিৎসা প্রদানের জন্য নিয়োজিত রয়েছেন। ঝালকাঠি জেলায় ব্যক্তিগত সুরক্ষার ক্ষেত্রে ডাক্তার ও নার্স এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সুরক্ষার জন্য ৩৫০টি মজুদকৃত পিপির মধ্যে ২৫০টি বিতরণ করা হয়েছে। এই পরিস্থিতি জনিত কারণে দিনমজুর শ্রেণিভুক্ত ৭৫০টি পরিবারকে ১০ কেজি করে চাল ,৫কেজি আলু ও ২ কেজি ডাল ঘরে ঘরে গিয়ে বিতরণ করা হয়েছে। জেলায় ৪০৮ মেট্রিক টন চাল এ কাজের জন্য মজুত রয়েছে ও সরকার ১০ লক্ষ টাকা বরাদ্ধ দিয়েছে হয়েছে। এর মধ্যে ঝালকাঠি পৌরসভায় ১ হাজার পরিবারের জন্য ১০ কেট্রিক টন চাল ও ২ লক্ষ টাকা এই শ্রেণিভুক্ত পরিবারে জন্য বরাদ্ধ দিয়েছে। নলছিিিট পৌরসভায় ৫০০ পরিবারের জন্য ৫ মেট্রিক টন চাল ৫০হাজার টাকা, ঝালকাঠি সদর উপজেলায় ১৫শ পরিবারের জন্য ১৫ মে.টন চাল ও ১লক্ষ ৫০ হাজার টাকা, নলছিটি উপজেলায় অনুরূপ ১৫শ পরিবারের জন্য ১৫ মে.টন চাল ও ১লক্ষ ৫০ হাজার টাকা,রাজাপুর উপজেলায় জলায় ১৫শ পরিবারের জন্য ১৫ মে.টন চাল ও ১লক্ষ ৫০ হাজার টাকা ও কাঠালিয়া উপজেলায় জলায় ১৫শ পরিবারের জন্য ১৫ মে.টন চাল ও ১লক্ষ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়াও বর্তমান মার্চ মাস থেকে জেলা ৪টি উপজেলার ৩২টি ইউনিয়নে ৩০৭৬৪টি পরিবারকে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় ৩০ কেজি করে দশ টাকা কেজি দরে চাল দেয়া হচ্ছে। শহর ও গ্রাম এলাকায় পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতার জন্য জীবানুনাশক স্প্রে ছিটানো হচ্ছে এবং মানুষকে ঘরে থাকার জন্য সচেতন করা হচ্ছে। জেলা ৪টি উপজেলায় ১০ হাজার মাস্ক বিনামূল্যে বিরতণ হয়েছে। এছাড়াও অন্যান্য শ্রমজীবি মানুষের জন্য পৃথকভাবে আর্থিক সহায়তা প্রদানে ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
