ভুরুঙ্গামারী (কুড়িগ্রাম)প্রতিনিধি
কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী উপজেলায় হাতি ব্যবহার করে চাঁদাবাজির ঘটনা বেড়েছে। উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজার ও গ্রামীণ সড়কে মাহুতরা হাতি নিয়ে ঘুরে বেড়িয়ে ভয় দেখিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা আদায় করছে। এতে স্থানীয়দের মধ্যে চরম আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত উপজেলার পাথরডুবি, তিলাই, জয়মনিরহাট, শিলিগুড়ি, বলদিয়া, সোনাহাট, আন্ধারীঝাড় ও ভুরুঙ্গামারী সদরের বিভিন্ন এলাকায় দেখা মেলে ওই হাতি ও তার মাহুতদের। তারা কখনো দোকানে ঢুকে, কখনো পথচারীদের থামিয়ে “টাকা দাও, না হলে হাতি রাগ করবে” বলে হুমকি দেয়। টাকা না দিলে দোকানের জিনিসপত্র উল্টে দেয়ার ভয়ে জোরপূর্বক টাকা আদায় করা হয়।
ভুরুঙ্গামারী সদরের ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম বলেন,
“প্রায়ই হাতি নিয়ে এসে দোকানের সামনে দাঁড়ায়। টাকা না দিলে দোকানের জিনিস উল্টে দেওয়ার ভয় দেখায়। বাধ্য হয়ে ৫০ থেকে ১০০ টাকা দিতে হয়।”
অন্যদিকে সাধারণ মানুষ অভিযোগ করেছেন, প্রশাসনের নজরদারি না থাকায় এই ধরনের চাঁদাবাজি দিন দিন বেড়ে চলেছে। তাদের দাবি, ভ্রাম্যমাণ হাতি ও মাহুতদের নিয়ন্ত্রণে এনে অবৈধ চাঁদাবাজি বন্ধে প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।
ভুরুঙ্গামারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আল হেলাল মাহমুদ বলেন,
“বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। যারা হাতি নিয়ে অবৈধভাবে টাকা আদায় করছে, তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং এলাকায় স্বস্তি ফেরাতে নিয়মিত অভিযান ও কঠোর নজরদারি জোরদারি করা জরুরি।
