
ভুরুঙ্গামারী(কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ
কুড়িগ্রাম জেলার ভুরুঙ্গামারী ও কচাকাটা থানায় চলমান ছেলে ধরা গুজবে আতংকিত না হওয়ার জন্য জনসচেতনতা বৃদ্ধি,মাদক নির্মুল,জঙ্গীবাদ,বাল্য বিবাহ রোধ এবং ইভটিজিং বন্ধে ভুরুঙ্গামারী ও কচাকাটা থানা নিয়ে গঠিত ভুরুঙ্গামারী সার্কেল অফিস বিভিন্ন কর্মসুচি গ্রহন করেছে। থানা পুলিশের পাশাপাশি দুই থানার ১৫টি ইউনিয়নের হাটবাজার,বাসস্ট্যান্ড,বিভিন্ন রাস্তার মোড় সহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রচারনা অব্যাহত রেখেছে। উল্লেখ্য সারাদেশের ন্যায় সম্প্রতি সারাদেশের ন্যায় ভুরুঙ্গামারীতেও ছেলে ধরা গুজবের হাওয়া লাগে। ফলে অভিভাবকসহ জনগনের মধ্যে আতংক ছড়িয়ে পড়ায় উপজেলার প্রায় সব প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কিন্ডার গার্টেনগুলোতে ছাত্র/ছাত্রীদের উপস্থিতি হঠাৎ করে কমে যায়। সচেতন মহল এ বিষয়ে প্রশাসনের জরুরী পদক্ষেপ কামনা করলে এরই ধারাবাহিকতায় ভুরুঙ্গামারী সার্কেল অফিসের পক্ষ থেকে জনগনকে জনসচেতন করার লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসুচি গ্রহন করে এবং চলমান গুজবে আতংকিত না হওয়ার জন্য মাঠে নামে। এ বিষয়ে ভুরুঙ্গামারী সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার শওকত আলী জানান,একটি কুচক্রী মহল ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগায়োগের মাধ্যমে ছেলে ধরা নামে গুজব ছড়িয়ে বিভিন্ন অপপ্রচার চালাচ্ছে। কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মহিবুল ইসলাম খানের নির্দেশনায় চলমান গুজব বন্ধে গৃহিত কর্মসুচি পালনের অংশ হিসাবে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র/ছাত্রী,শিক্ষক.অভিভাবকদের সচেতনতামুলক সভা করা হচ্ছে। গত দুইদিনে সোনাহাট ডিগ্রী কলেজ,ভুরুঙ্গামারী সরকারী কলেজ,ভুরুঙ্গামারী নেহাল উদ্দিন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে জনসচেতনতামুলক সভা করা হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে ভুরুঙ্গামারী ও কচাকাটা থানার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই কর্মসুচি পালন করা হবে বলে জানান। তিনি সবাইকে সচেতন হয়ে গুজবে কান না দিয়ে কাউকে সন্দেহ হলে আইন নিজের হাতে তুলে না নিয়ে পুলিশ প্রশাসনকে থবর দেয়ার জন্য অনুরোধ জানান। উল্লেখ্য ভুরুঙ্গামারী সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার শওকত আলী যোগদানের পর থেকে ভুরুঙ্গামারী ও কচাকাটা থানায় মাদক,জঙ্গী,বাল্যবিবাহ,ইভটিজিং ও অবৈধ ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন,ভুমিদস্যুতা অনেকাংশে কমে গেছে।
