মুর্শিদ আলম মুরাদ, আদিতমারী (লালমনিরহাট) প্রতিনিধিঃ

উত্তর গোবদা দুর্গাপুরের আছিয়া খাতুনের হত্যাকারীরা স্থানীয় প্রভাবশালী মতিয়ার গং সেই প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছে মৃত্যু আছিয়া খাতুনের পুত্র জলিল মিয়া।
সংবাদ সম্মেলনে বলেন নির্মমভাবে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে তাঁর মা আছিয়া খাতুন কে হত্যা করা হয়েছে । মামলার আসামিগণ মহামান্য হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিনে এসে পৃনরায় বিভিন্ন ভাবে হুমকি দিয়ে যাচ্ছে,সেই সাথে মামলা তুলে নিতে চাপসৃষ্টি করেছে।
এই ব্যাপারে আদিতমারী থানা গত ১১/৯/২০২৫ ইং তারিখে একটি জিডি করা হয়েছে , ঘটনার বিবরণ বর্ণ না করেন ছেলে জলিল মিয়া সংবাদ সম্মেলনে বলেন লালমনিরহাটের আকাশ যেন আজ আরও একটু ভারী। আদিতমারীর উত্তর গোবধা গ্রামে যা ঘটল, তা শুধুই একটি ‘সংঘর্ষ’ বা ‘হত্যা’ নয়—এ ছিল এক মায়ের শেষ আত্মদান, এক সন্তানের জন্য প্রাণপণ ছুটে যাওয়া।
৮৫ বছরের আছিয়া বেগম নিজের শেষ শক্তিটুকু যোগান করে ছুটে এসেছিল তার সন্তান জলিলকে বাঁচাতে প্রতিপক্ষের হাতের লাঠির আঘাতে যখন ছেলেটির জর্জরিত তখন মা আর বসে থাকতে পারেনি। তিনিও এসেছেন দাঁড়িয়েছিলেন ছেলে পাশে বুক পেতে দিয়েছিলেন, সেই প্রতিপক্ষের লাঠির আঘাতে সবকিছু নিস্তব্ধ হয়ে যায়।

জমির পরিমাণ ছিল মাত্র ৭৪ শতাংশ জলিলের দখলে ছিল মাত্র দশ শতাংশ যেটুকু তিনি মাথা গোঁজার ঠাঁই করেছিলেন যুগযুগ ধরে আদালত, বৈঠক, সমঝোতা সবই হয়েছিল, কিন্তু স্থানীয় ভাবে হয়নি কোন সমাধান হত্যাকারীরা মতিয়ার গংদের দাবি ছিল তাদের অন্যাত্র জমি কিনে দেওয়া হবে। কিন্তু বসতভিটা তো শুধু মাটি নয় সেখানে ছিল স্মৃতি সেখানে ছিল সংসার।

সেই উওর গোবধা স্থানীয় প্রভাবশালী মতিয়ার গং সেই জমিতে হাল চাষ শুরু করে তখন জলিল ও তার ছেলেদের নিয়ে বাধা দেয় এ সময় উত্তেজনা চরমে ওঠে শুরু হয়ে যায় মারামারি তখন ছেলেকে রক্ষা করতে মাঠে নামে মা আসিয়া খাতুন কিন্তু প্রতিপক্ষের লাঠি আঘাতে শরীরে নেমে আসে নির্মমতা এক লাঠি আঘাতে সব যেন শেষ হয়ে যায়,মা ছেলেকে বাঁচাতে প্রাণ দিল এ যেন এক চূড়ান্ত বলির প্রতীক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *