‎কচাকাটা (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ
কুড়িগ্রাম জেলার কচাকাটা থানাকে প্রশাসনিক উপজেলা ঘোষণা ও দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে গণস্বাক্ষর কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২৭ অক্টোবর) সকালে কচাকাটা উপজেলা বাস্তবায়ন সংগ্রাম পরিষদ ও কচাকাটা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে কচাকাটা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
‎এ সময় কচাকাটা অঞ্চলের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, রাজনীতিবিদ, কৃষক, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে গণস্বাক্ষরে অংশ নেন। অংশগ্রহণকারীরা বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই কচাকাটাকে উপজেলা করার দাবি জানিয়ে আসছে স্থানীয়রা, কিন্তু তা এখনো বাস্তবায়িত হয়নি।

‎গণস্বাক্ষর কর্মসূচি উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ, সমাজসেবক ও সাবেক চেয়ারম্যান সৈয়দ আহম্মেদ বাচ্চু ব্যাপারী। সভায় বক্তব্য রাখেন কচাকাটা উপজেলা বাস্তবায়ন সংগ্রাম পরিষদের আহবায়ক ও কেদার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আ.খ.ম ওয়াজিদুল কবীর রাশেদ, বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ও সমাজসেবক আনিসুর রহমান তোলা ব্যাপারী,কচাকাটা ডিগ্রী কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম জুয়েল, কেদার মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ হাফিজুর রহমান মন্ডল, কচাকাটা থানা চর উন্নয়ন কমিটির আহব্বায়ক আব্দুল কুদ্দুস চঞ্চল, কচাকাটা প্রেসক্লাবের সভাপতি রফিকুল ইসলাম, , কচাকাটা বহুমূখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নুরুজ্জামান কবির, কচাকাটা বনিক সমিতির সভাপতি আব্দুল আউয়াল, কচাকাটা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহাদৎ হোসেন মন্ডল, বল্লভেরখাস ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান নূর জামাল হোসেনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
‎বক্তারা বলেন, কচাকাটার ভৌগোলিক অবস্থান, জনসংখ্যা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বাজার ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতির কথা বিবেচনায় এটিকে পৃথক উপজেলা হিসেবে ঘোষণা করা সময়ের দাবি। তারা অন্তরবর্তীকালীন সরকার ও প্রশাসনের নিকট দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।
‎উল্লেখ্য, প্রায় এক যুগ ধরে কচাকাটার মানুষ উপজেলার দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে আসছে। নাগেশ্বরী উপজেলা সদর থেকে নদীপথে প্রায় ২৫ কিলোমিটার ও সড়ক পথে ৪৮ কিলোমিটার দূরে হওয়ায় প্রশাসনিক কাজ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবায় প্রতিনিয়ত ভোগান্তি পোহাতে হয় এলাকাবাসীকে। তাই প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ ও স্থানীয় উন্নয়নের স্বার্থে কচাকাটাকে পৃথক উপজেলা ঘোষণার দাবি আবারও জোড়ালো ভাবে উঠে এসেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো পড়ুন