কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধিঃ
ইউনিসেফের সহযোগিতায় বাংলাদেশের নির্বাচিত জেলাগুলিতে কিশোর-কিশোরী এবং যুবকদের সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য এবং সুস্থ্যতা পরিষেবা শক্তিশালীকরণ এবং মানব উন্নয়ন গবেষণা কেন্দ্র কনসোর্টিয়া এর যৌথ উদ্যোগে কার্যকর যুব সম্পৃক্ততার মাধ্যমে কিশোর-কিশোরীদের জন্য যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য এবং সুস্থ্যতা পরিসেবা শক্তিশালীকরণ শীর্ষক এক কর্মশালা কুড়িগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয় হলরুমে ১৪ অক্টোবর’২০২৫ মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হয়েছে। কর্মশালায় কুড়িগ্রামের বিভিন্ন যুব প্ল্যাটফর্ম যেমন কিশোরী ক্লাব, স্কাউট, গার্লস গাইড ও অন্যান্য সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানটি বাংলাদেশের নির্বাচিত জেলাগুলিতে কিশোর-কিশোরী এবং যুবকদের সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য এবং সুস্থতা পরিষেবা শক্তিশালীকরণ প্রকল্পের আওতায় আয়োজন করা হয়। প্রকল্পটির মূল উদ্দেশ্য হলো কিশোর-কিশোরীদের যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য ও কল্যাণ সম্পর্কিত জ্ঞান, মনোভাব ও আচরণে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা এবং কার্যকর যুব সম্পৃক্ততার মাধ্যমে এ সেবার মানোন্নয়ন নিশ্চিত করা। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন- বাংলাদেশের নির্বাচিত জেলাগুলিতে কিশোর-কিশোরী এবং যুবকদের সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য এবং সুস্থ্যতা পরিষেবা শক্তিশালীকরণ এবং মানব উন্নয়ন গবেষণা কেন্দ্র কনসোর্টিয়া এর টিম লিডার ডা. ফাতেমা শবনম, সহযোগিতায় ছিলেন- জেলা সমন্বয়কারী মো. আতিয়ার রহমান। কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন- কুড়িগ্রাম সিভিল সার্জন ডাঃ স্বপন কুমার বিশ্বাস, ডেপুটি সিভিল সার্জন ডাঃ আ.ন.ম গোলাম মোহাইমেন, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোস্তাফিজার রহমান, পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপ-পরিচালক মোঃ মোজাম্মেল হক, কুড়িগ্রাম সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা গোলেনুর বেগম, জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ সফিকুল ইসলাম, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোঃ আব্দুল হালিম, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের প্রতিনিধি মোঃ আবু বক্কর, স্কাউটের কমিশনার মোঃ আব্দুল লতিফ, সহকারী কমিশনার মোঃ সাইফুল ইসলাম প্রমূখ। কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীরা কিশোর-কিশোরীদের যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য সেবার বর্তমান অবস্থা, চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন। তারা মতামত দেন যে, কিশোরদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং স্কুলভিত্তিক স্বাস্থ্য শিক্ষা কার্যক্রম আরও জোরদার করা প্রয়োজন। অংশগ্রহণকারীগণ প্রকল্পটির কার্যক্রমে সক্রিয় সহযোগিতা এবং কিশোরবান্ধব স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণে সম্মিলিতভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। কর্মশালা শেষে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে মতবিনিময় ও মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করা হয়।
