স্টাফ রিপোর্টার-কুড়িগ্রাম
কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারীতে তথ্য গোপন করে তালাক প্রদানকৃত স্বামীর নিকট থেকে বিবাহিত সন্তানকে অবিবাহিত দাবী করে আদালতে ভরণপোষনদাবী । জানাগেছে ২০০৪ সালে নাগেশ^রী উপজেলার কেদার ইউপির শিবেরহাট গ্রামের মোঃ আতিকুর রহমানের পুত্র মোঃ শফিকুল ইসলাম(৪২)এর সাথে ভুরুঙ্গামারী উপজেলার বানুরকটি গ্রামের মোঃ খবির উদ্দিনের কন্যা মোছাঃ খাদিজা বেগম(৩৬)এর ইসলামী শরিয়া মোতাবেক বিবাহ হয়। তাদের দাম্পত্য জীবনে এক কন্যা সন্তান ও এক পুত্র সন্তান রয়েছে। তাদের পারিবারিক ও দাম্পত্য কলহের জের ধরে ২০১৯ সালের ৩ ডিসেম্বর শফিকুল ইসলাম আদালতের মাধ্যমে একতরফা তালাক প্রদান করলে পরবর্তীতে আদালতের মাধ্যমে প্রদানকৃত তালাক সামিল করে ২ সন্তানের ভরনপোষন বাবদ মাসিক ৬ হাজার টাকা খাদিজাকে প্রদান করতে আদালত রায় প্রদান করে। এদিকে শফিকুল ইসলাম নিয়মিত ২ সন্তানের ভরণপোষনের টাকা দিয়ে আসা অবস্থায় খাদিজা বেগম তার প্রথম কন্যা সন্তান মোছাঃ সুমি খাতুনকে তার তালাক প্রদানকারী স্বামী শফিকুল ইসলামকে না জানিয়ে গত ২০২৩ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ভুরুঙ্গামারী উপজেলার ছোটখাটামারী গ্রামের সামিউল হকের পুত্র শিপন মিয়ার সাথে বিয়ে দেন। শফিকুল ইসলামকে না জানিয়ে সন্তান সুমি খাতুনকে বিয়ে দেয়ায় শুধু মাত্র পুত্র সন্তানের ভরণপোষন প্রদান করায় সুমির মা খাদিজা বেগম তার কন্যা সুমি খাতুনকে নাবালক ও অবিবাহিত দাবী করে আদালতে ভরনপোষন দাবী করে শফিকুল ইসলামকে হয়রানী করে আসছে। এ বিষয়ে ঘটনাস্থল গেলে সুমি খাতুন জানায় ২০২৩ সালের ৬ সেপ্টেম্বর তার বিয়ে হয়েছে এবং শ^শুড় বাড়িতে অবস্থান করছে। এ বিষয়ে সুমির শ^াশুড়ী নাসিমা বেগম জানায়,সুমির পিতা-মাতার বিবাহ বিচ্ছেদের ঘটনা এবং মামলার বিষয়ে আমরা পরে জেনেছি। তবে তাদের বিবাহ বিচ্ছেদ মামলা মোকদ্দমার বিষয়ে আমার পুত্রবধু সুমি খাতুন এবং আমাদের কোন দায়বদ্ধতা নেই। তথ্য গোপন করে ভরনপোষন দাবীকারী খাদিজা বেগমের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী করেছেন শফিকুল ইসলাম ও তার পরিবারের লোকজন।
