এস.এম.রকি,খানসামা (দিনাজপুর) প্রতিনিধিঃ
প্রায় প্রায় ১০ বছর পর ১১ অক্টোবর দিনাজপুরের খানসামা উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এই কাউন্সিলকে ঘিরে পদপ্রত্যাশীরা ব্যস্ত প্রচার-প্রচারণায় আর লবিং-তদবিরে। অন্যদিকে এই কাউন্সিলকে ঘিরে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরাও উজ্জীবিত।
জানা যায়, সর্বশেষ ২০১২ সালে খানসামা উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে সিলেকশনের মাধ্যমে শাহ মোঃ আব্দুল জব্বারকে সভাপতি ও সফিউল আযম চৌধুরী লায়নকে সাধারণ সম্পাদক করে কমিটি ঘোষণা করা হয়। পরে শাহ মোঃ আব্দুল জব্বারের মৃত্যুতে আংগারপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তফা শাহ ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
নেতাকর্মীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, উপজেলা আওয়ামী লীগের কাউন্সিলকে সফল করার লক্ষ্য নিয়ে ৬টি ইউনিয়নে ওয়ার্ড কাউন্সিল শুরু হলেও নানা কারনে অর্ধেক ওয়ার্ড কাউন্সিল স্থগিত হয় এবং কোন ইউনিয়ন কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়নি।
তবে কাউন্সিলের সময় যত ঘনিয়ে আসছে ততই নেতাকর্মীদের মাঝে বাড়ছে উৎসাহ-উদ্দীপনা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেসবুকে নেতাকর্মীরা নিজের পছন্দের প্রার্থীদের পক্ষে জোরেশোরে প্রচারণা চালিয়ে দোয়া ও সমর্থন চাচ্ছেন।
ফেসবুক ও বিভিন্ন মাধ্যমে জানা যায়, এবারের কাউন্সিল সভাপতি পদপ্রার্থী হচ্ছেন বর্তমান ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও আংগারপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তফা শাহ এবং জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ মোঃ রফিকুল ইসলাম। অপরদিকে সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থীরা হচ্ছেন বর্তমান সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান সফিউল আযম চৌধুরী লায়ন, আংগারপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ধীমান দাস, সাবেক ছাত্রনেতা ও প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা আবু হাতেমের পূত্র আনোয়ার হোসেন রানা ও সাবেক ছাত্রনেতা প্রমথ রায়।
ইতোমধ্যে পদপ্রত্যাশী নেতারা সম্মেলন সফল করার আহবান জানিয়ে উপজেলার বিভিন্ন এলাকাসহ সম্মেলনের স্থান পাকেরহাট শিশুপার্কে ফেস্টুন, ব্যানার, তোরণ ও বিলবোর্ড লাগিয়েছেন।
এই কাউন্সিলে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য রমেশ চন্দ্র সেন, এমপি ও কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন শফিক, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এ্যাড.মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার,এমপি ও স্থানীয় সাংসদ আবুল হাসান মাহমুদ আলী উপস্থিত থাকবেন বলে জানা যায়।
তৃণমূলের নেতাকর্মীদের প্রত্যাশা যাদের হাতে আওয়ামী লীগ থাকবে নিরাপদ ও নেতাকর্মীরা সুরক্ষিত এবং যারা যোগ্য ও ত্যাগী তাদের হাতেই এই নেতৃত্ব উঠুক।
