মনজুরুল ইসলাম
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মাধ্যমে ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের পর দেশে শান্তি শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার আশ্বাস দিয়ে অন্তরবর্তী কালীন সরকারের ক্ষমতা গ্রহনের পর দেশের জনসাধারণ ১৭ বছরের বন্দী দশা থেকে মুক্তি পেয়েছে মনে করা হলেও
্সাাম্প্রতিক সময়ে দেশে অরাজকতা বেড়েই চলছে। সাধারণ মানুষ দৈনন্দিন জীবনে তার মৌলিক অধিকার যথাযথভাবে পাচ্ছে না। খোঁজাখুঁজি, শান্তিপূর্ণ আন্দোলন বা মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সবই ঝুঁকির মধ্যে। এ অবস্থায় পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

অপরদিকে, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল জনগণের অধিকার, স্বাধীনতা বা সুরক্ষা নিয়ে প্রকাশ্যভাবে কোনো সংলাপ শুরু করছে না। তাদের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠছে পার্টির স্বার্থ ও রাজনীতির কৌশল। ফলে সাধারণ নাগরিকদের স্বাভাবিক জীবন ও নিরাপত্তা বিপন্ন হচ্ছে।

দেশের এই পরিস্থিতিতে দায়িত্ব শুধুমাত্র রাজনীতিবিদদের নয়। সুশীল সমাজ, নাগরিক সংগঠন ও গণমাধ্যমকেও এই সংকটের দিকে মনোযোগ দিতে হবে। জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও সামাজিক ন্যায় নিশ্চিত করতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

রাষ্ট্র, প্রশাসন ও সুশীল সমাজ মিলেই নিশ্চিত করতে পারবে নাগরিক অধিকার ও নিরাপত্তা। এককভাবে রাজনৈতিক দল বা সরকার যথেষ্ট নয়; জনগণই হলো দেশের প্রকৃত শক্তি। সময় এসেছে নাগরিক অধিকার, ন্যায়বিচার ও সামাজিক শান্তি পুনঃপ্রতিষ্ঠার।
###
লেখক-সাংবাদিক,ধর্মীয় গবেষক ও সমাজ সংস্কারক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো পড়ুন